মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত

পিতার দুরবস্থায় অর্থাভাবে লেখাপড়া বন্ধের  উপক্রম ডুয়েটের মেধাবী ছাত্র শিপুলের

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ৬৬৭ বার পঠিত
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা।- পিতা সুভাস চন্দ্র দাসের চরম দুরবস্থায় অর্থাভাবে লেখাপড়া বন্ধের উপক্রম হয়েছে ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) মেধাবী ছাত্র শিপুল কুমারের। টাকার অভাবে দৈনন্দিন সংসার খরচ এবং মেধাবী ছেলের পড়াশুনার খরচ বহন করা দুর্বিষহ হয়ে পড়ায় দুঃখে-অভিমানে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন অসহায় মৎস্যজীবী সুভাস চন্দ্র।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের বামুনিপাড়া গ্রামের অতিদরিদ্র সুভাস চন্দ্র দাস ভুট্টুর তিন ছেলেমেয়ে। তাদের মধ্যে ছেলে শিপুল চন্দ্র অত্যন্ত মেধাবী হওয়ায় এলাকার লোকজনের পরামর্শে তাকে লেখাপড়া করাতে স্কুলে ভর্তি করে দেন সুভাস। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার পর তিনি কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর ডিপ্লোমা করেন। পরে তিনি পিতার আর্থিক দুরবস্থার মধ্যেও ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ডুয়েটে ইলেকট্রনিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি ডুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
সুভাস চন্দ্র দাস ভাড়া নেয়া পুকুরে মাছ চাষ করে এতোদিন অতিকষ্টে সন্তানদের ভরণপোষণ চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু দুই মেয়ের বিয়ে ও ছেলের লেখাপড়ার খরচ চালাতে গিয়ে এলাকার দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা ধার নেয়া শুরু করেন সুভাস। বর্তমানে সেই টাকা সুদে আসলে ১০ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এখন দাদন ব্যবসায়ীরা টাকা পরিশোধের জন্য প্রতিদিনই তাকে প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছেন, কেউ কেউ বাড়িতে এসেও চড়াও হচ্ছেন। পাওনাদারদের চাপ ও কটূ কথা সহ্য করতে তিনি একদিন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সুভাস চন্দ্র। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকার মিলন নামের এক যুবক তার সহায়তায় এগিয়ে আসেন। তার সাহায্যে সংসার খরচ কিছুটা চললেও ছেলের লেখাপড়ার খরচ চালানো দুরহ হয়ে উঠেছে। ওই যুবক ছাড়া তিনি কোনো সরকারি সহযোগিতা পাননি বলে জানান।
করোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিপুল কুমার বাড়িতে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, চরম দারিদ্রের মধ্যে অনেক কষ্ট করে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্নে ডুয়েটে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু বর্তমানে আর্থিক সংকট চরম আকার ধারণ করায় সামনের দিনগুলো পাড়ি দেয়া আরও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এই করোনাকালে বাড়িতে খাবারের সংস্থান নেই, তার উপর পড়াশুনার খরচ! সেই চিন্তায় কাহিল হয়ে পড়েছেন পিতা সুভাস ও ছেলে শিপুল।
অসহায় মৎস্যজীবী সুভাসের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছেলে শিপুলের লেখাপড়া অব্যাহত রাখতে কেউ কি এগিয়ে আসবেন? তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৬৬-৯২১১৬৩ ও ০১৩১৪-৮৪২৮৯৭ নম্বর মোবাইল ফোনে। তাকে সাহায্য করতে পারেন বিকাশ নং ০১৭৮০-৫৩১৭৫৯ এর মাধ্যমে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com