বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

হাটের খাস খতিয়ানের জমি চেয়ারম্যানের দখলে

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৮৪ বার পঠিত

বজ্রকথা সংবাদদাতা।- পীরগঞ্জ উপজেলার কুমেদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোশফাক হোসেন খান চৌধুরী ফুয়াদ রসুলপুরে হাটের খাস জমিতে নির্মিত ৬টি দোকানঘর উচ্ছেদের পর হাটের মূল্যবান ৩শতাংশ জমি দখলে নিয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সম্প্রতি রংপুর জেলার ডিসি বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
জানা গেছে, প্রায় ৫০ বছর আগে উপজেলার মরারপাড়া গ্রামের আফজাল হোসেন (৭০) রসুলপুরহাটের মধ্যে ৮৫১ দাগে ৩ শতক জমিতে ৬ টি আধাপাকা দোকান নির্মাণ করেন। তিনি ১৯৭২ সাল থেকে ৪ টি দোকান ঘর ভাড়া দেন এবং ২ টি দোকান ঘরে নিজে ব্যবসা করে আসছেন জমিটি রসুলপুরের মোহাম্মদ হোসেন খান চৌধুরীর হলেও তার ১’শ বিঘার উপর জমি থাকায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ৯৮/৭২ ক্ষমতাবলে সরকার জমিটি ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়ার পর জমিটি হাটপ্লটে নেয়া হয়। জমিটি খাস খতিয়ানে অন্তুর্ভুক্ত হলেও মোহাম্মদ হোসেন খানের ছেলে কুমেদপুর ইউপির চেয়ারম্যান মোশফাক হোসেন খান চৌধুরী ফুয়াদ জমিটির দোকানঘর উচ্ছেদ করে ওই জমিতে জমিতে তার নামের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন। পাশাপাশি তিনি কুমেদপুর ইউনিয়ন উপসহকারী ভুমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) কে ম্যানেজ করে খাজনাও দেন। অপরদিকে জমিটি লীজ নেয়ার জন্য ক্ষতিগ্রস্থ আফজাল হোসেন রংপুরের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, চেয়ারম্যানের বাবার জমি হলেও তাদের ১’শ বিঘার উপরে জমি থাকায় হাটের ৩ শতক জমি খাস খতিয়ানে গেছে। আমি ওই জমিতে প্রায় ৫০ বছর ধরে ব্যবসা করে আসছি। আর চেয়ারম্যান সোমবার দিনের বেলা লোকজন সাথে নিয়ে এসে আমার দোকানগুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ায় দোকানের বহু মালামাল লুট হয়েছে। চেয়ারম্যান ফুয়াদ চৌধুরী বলেন, জমিটি আমাদের ছিল। খাজনাও দিয়েছি। জমিটিতে কয়েকটি দোকান ছিল। তাদেরকে দোকান তুলে নিতে একদিনের নোটিশ দিয়েছি। তারা না শোনায় আমি দোকানগুলো ভেঙ্গে দিয়েছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com