বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

অবশেষে রংপুরে কাঙ্খিত বৃষ্টি চাষিদের চোখে-মূখে খুশির ঝিলিক

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২
  • ৩২৯ বার পঠিত

হারুন উর রশিদ সোহেল।-অব্যাহত তাপদাহের পর অবশেষে রংপুরে দেখা মিলেছে কাঙ্খিত বৃষ্টির। প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল আমনের ক্ষেতগুলো পানির জন্য হাহাকার করছিল ঠিক তখনি স্বস্তির বৃষ্টি হলো। গত শনিবার রাত থেকে রবিবার দুপুর পর্যন্ত এ বৃষ্টিতে আমন চাষিদের চোখে-মূখে হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে। এখন তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন আমনের চারা রোপণে।
সরেজমিনে নগরীর তামপাট, বীরভদ্র বালাটারী, খাসবাগ, তপোধন, দর্শনা, কেরানীরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, বৃষ্টির পর থেকে আমন চাষীরা চারা রোপণের জন্য জমি প্রস্তুুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কোথাও চাষ চলছে, কোথাও মই দেয়া চলছে। কেউ চারা রোপন করছেন। এমন চিত্র শুধু রংপুর নগরী নয় জেলার আট উপজেলায় লক্ষ্য করা গেছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নগরীসহ রংপুর অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৭০ দশমিক ৬ মিলিমিটার। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রংপুর নগরী ও জেলার আট উপজেলাসহ রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় প্রায় ৬ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৪৩১ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপণ করেছে চাষিরা। বাকি জমিগুলোর চাষিরা এখনো প্রকৃতির ওপর নির্ভর করছে।
নগরীর তামপাট এলাকার চাষি নুর ইসলাম ও আশরাফুল আলম সহ বেশ কয়েকজন জানান, আমন চাষ মূলত প্রকৃতি নির্ভর। এবার বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে আমন ধান রোপণ করার পরে পানি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তারা। সেচের মাধ্যমে ধান চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে শনিবার রাত থেকে বৃষ্টি হওয়ার কারণে তাদের মতো হাজারোও চাষির মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
কাউনিয়া উপজেলার চর চতুরা এলাকার আব্দুল মমিন ও পল্লীমারীর চর এলাকার ইউনুস আলী জানান, আমন মৌসুম সাধারণত বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। বৃষ্টি না হলে সেচ দিতে পানি বাবদ প্রতি একরে বাড়তি খরচ হবে দুই থেকে তিন হাজার টাকা। এতে তারা চাষাবাদে ক্ষতির সম্মুখীন হতেন।
পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুরের শহিদুল ইসলাম, মিঠাপুকুরের লতিবপুর বউ বাজার এলাকার মজনু মন্ডল ও সদরের জানকী ধাপেরহাটের মনজুরুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন চাষি এমন কথা জানান।
শুধু তারা নয় রংপুর অঞ্চলের কয়েকলাখ আমন চাষি পানির অভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। এমন সময় কাঙ্খিত বৃষ্টির দেখা পেয়ে এসব চাষির মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। দুশ্চিন্তাও কমেছে। তারা এখন আমন চারা রোপণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
এব্যাপারে রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল  বলেন, শনিবার রাত থেকে রবিবার দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। অব্যাহত তাপদাহের পর কাঙ্খিত বৃষ্টিতে আমন চাষির মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com