মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত

গাইবান্ধায় বাড়ছে চোখ ওঠা রোগ মিলছে না ড্রপ

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৪০ বার পঠিত
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল।- গাইবান্ধায় ঘরে ঘরে (চোখ ওঠা) বা কনজাংটিভাইটিস আক্রান্ত রোগী। তবে সহজে মিলছে না এই রোগের এসকিউমাইসিটিন গ্রুপের ড্রপ। ওষুধ ব্যবসায়ীদের দাবি, এসব প্রতিষেধকের চাহিদা বাড়লেও কোম্পানিগুলো তা সরবরাহ করতে পারছে না।
চিকিৎসকরা বলছেন, চোখ ওঠা রোগ সাধারণত ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এই রোগের আসল নাম কনজাংটিভাইটিস। ভাইরাসজনিত এই রোগ মূলত ছোঁয়াচে। এ রোগে আক্রান্তরা সাধারণত চিকিৎসা ছাড়াই পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। চিকিৎসকরা এতে এসকিউমাইসিটিন গ্রুপের ড্রপ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর এ কারণেই চোখের সব ড্রপ বাজার থেকে উধাও।সরেজমিন গাইবান্ধার বিভিন্ন ফার্মেসি ঘুরে দেখা যায়, চোখের কোনো ড্রপ অধিকাংশ ফার্মেসিতেই নেই। প্রায় প্রতিটি ফার্মেসিতে চোখের ড্রপের কথা বলতেই নেই বলে জানান। গেলো এক সপ্তাহে গাইবান্ধার হাট-বাজার এবং রাস্তাঘাটে অসংখ্য চোখ ওঠা রোগীর দেখা মিলছে।
গাইবান্ধা শহরের মাস্টারপাড়া এলাকার ফিরোজ কবীর জানান, প্রথমে তার মেয়ের চোখ ওঠে। এর পর তাদের পরিবারের চারজনের চোখ ওঠে। দুইদিন আগে তারও চোখ উঠেছে। চোখে ব্যথা অনুভব হচ্ছে এবং মাঝে মধ্যে দুই চোখ দিয়ে পানি ঝরছে। কিন্তু দুদিন হয়ে গেলেও বাজারে খুঁজে পাচ্ছেন না ড্রপ।অপর রোগী শহরের মুন্সিপাড়ার বিজন কুমার বলেন, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এসকিউমাইসিটিন একটি চোখের ড্রপ কিনতে পৌর শহরের ২১টি ফার্মেসিতে খোঁজ করেছি, একটি ড্রপ পেলেও কিনতে হলো দ্বিগুণ দামে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানাপাড়ার এক ব্যক্তি বলেন, আমার বড় মেয়ের চোখ উঠেছে। পরে আমি গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে গিয়ে পরামর্শ নিয়ে সেই বিকেল থেকে খুঁজতে খুঁজতে আমি রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক দোকানে চোখের ড্রপ পেয়েছি। আর কোনো ফার্মেসিতে চোখের ড্রপ নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com