মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত

রংপুরে নিম্নমানের স্যালাইনে বাজার সয়লাভ

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪
  • ২৮৮ বার পঠিত

রংপুর থেকে সোহেল রশিদ।-সারাদেশের মতো রংপুরসহ বিভাগ জুড়ে খাবার স্যালাইনের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি হওয়া তীব্র গরম ও তাবদাহের কারণে খাবার স্যালাইনের অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তবে সেই অনুপাতে খাবার স্যালাইনের জোগান দিতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো। রংপুর মহানগরীসহ জেলার আট উপজেলা ও বিভাগের আট জেলার শহর কিংবা গ্রামের অনেক এলাকাতেই এখন খাবার স্যালাইনের এ সঙ্কট পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে এই সুযোগে কিছু নিম্নমানের স্যালাইন বাজারে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। এনিয়ে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান চেয়েছেন।
এছাড়াও ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া,হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ফুড পয়জনিং এবং ভাইরাসসহ নানা রোগের ওষুধের চাহিদাও বেড়েছে কয়েকগুণ। পাশাপাশি বেড়েছে গ্যাস্ট্রিকসহ বিভিন্ন ওষুধের দামও।
রংপুর নগরীর পায়রা চত্বর, আজিজ সুপার মার্কেট, সিটি বাজার, নবাবগঞ্জ বাজার, স্টেশন, মাহিগঞ্জ, মর্ডাণ মোড়, লালবাগ ও ধাপ মেডিকেল এলাকার ঘুরে দেখা গেছে, সব দোকানেই কমবেশি খাবার স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। পাইকারি দোকানেও চাহিদার অনুপাতে কম হারেই বিক্রি হচ্ছে খাবার স্যালাইন। চাহিদার অনুপাতে খুচরা দোকানিদেরও খাবার স্যালাইন সরবরাহ করতে পারছে না অনেক পাইকারি দোকান। এচাড়াও বিভিন্ন পাইকারি এবং খুচরা দোকানে বিভিন্ন কোম্পানির খাবার স্যালাইন থাকলেও বেশি চাহিদা এসএমসির (সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি) ‘ওরস্যালাইন এন’-এর। খুচরা পর্যায়ের শতকরা ৯০ ভাগ ক্রেতাই ‘ওরস্যালাইন এন’ ক্রয় করেন। তাই এ স্যালাইনটির সঙ্কটই বাজারে বেশি। এছাড়াও টেষ্টি স্যালাইন ও ওসাফ্রুটি স্যালাইনের চাহিদা রয়েছে।
ক্রেতারা জানান, দেহের পানি শূন্যতা পূরণে অনেকে খাবার স্যালাইন রাখেন। এ ছাড়া অনেকে ডায়রিয়া কিংবা পানিশূন্যতার কারণেও খাবার স্যালাইন নিয়মিত পান করেন। কিন্তু এসএমসির ‘ওরস্যালাইন এন’ প্রায় সময়েই দোকানে পাওয়া যায় না। দোকানিরাও কৌশলে অন্য কোম্পানির নিম্নমানের খাবার স্যালাইন এ সুযোগে বিক্রি করছেন।
ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, যে ফার্মেসিতেই স্যালাইনের জন্য যাচ্ছি মিলছে একই উত্তর- সাপ্লাই নেই, ভাই কী করব? রংপুরজুড়ে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
রংপুরে কর্মরত এসএমসি কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি রংপুরসহ সারাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাবদাহ ও গরমের কারণে খাবার স্যালাইনের সঙ্কট তৈরি হয়েছে। আমরা যে অনুপাতে চাহিদাপত্র সাবমিট করি সে অনুপাতে খাবার ‘প্যালাইন পাই না। ফলে পাইকারি কিংবা খুচরা পর্যায়ের দোকানেও ‘চাহিদামতো খাবার স্যালাইন সরবরাহ করতে পারছি না। তবে দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।রংপুরে নিম্নমানের স্যালাইনে বাজার সয়লাভ
রংপুর ব্যুরো॥
সারাদেশের মতো রংপুরসহ বিভাগ জুড়ে খাবার স্যালাইনের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি হওয়া তীব্র গরম ও তাবদাহের কারণে খাবার স্যালাইনের অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। তবে সেই অনুপাতে খাবার স্যালাইনের জোগান দিতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো। রংপুর মহানগরীসহ জেলার আট উপজেলা ও বিভাগের আট জেলার শহর কিংবা গ্রামের অনেক এলাকাতেই এখন খাবার স্যালাইনের এ সঙ্কট পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে এই সুযোগে কিছু নিম্নমানের স্যালাইন বাজারে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। এনিয়ে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান চেয়েছেন।
এছাড়াও ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া,হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ফুড পয়জনিং এবং ভাইরাসসহ নানা রোগের ওষুধের চাহিদাও বেড়েছে কয়েকগুণ। পাশাপাশি বেড়েছে গ্যাস্ট্রিকসহ বিভিন্ন ওষুধের দামও।
রংপুর নগরীর পায়রা চত্বর, আজিজ সুপার মার্কেট, সিটি বাজার, নবাবগঞ্জ বাজার, স্টেশন, মাহিগঞ্জ, মর্ডাণ মোড়, লালবাগ ও ধাপ মেডিকেল এলাকার ঘুরে দেখা গেছে, সব দোকানেই কমবেশি খাবার স্যালাইনের সঙ্কট রয়েছে। পাইকারি দোকানেও চাহিদার অনুপাতে কম হারেই বিক্রি হচ্ছে খাবার স্যালাইন। চাহিদার অনুপাতে খুচরা দোকানিদেরও খাবার স্যালাইন সরবরাহ করতে পারছে না অনেক পাইকারি দোকান। এচাড়াও বিভিন্ন পাইকারি এবং খুচরা দোকানে বিভিন্ন কোম্পানির খাবার স্যালাইন থাকলেও বেশি চাহিদা এসএমসির (সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি) ‘ওরস্যালাইন এন’-এর। খুচরা পর্যায়ের শতকরা ৯০ ভাগ ক্রেতাই ‘ওরস্যালাইন এন’ ক্রয় করেন। তাই এ স্যালাইনটির সঙ্কটই বাজারে বেশি। এছাড়াও টেষ্টি স্যালাইন ও ওসাফ্রুটি স্যালাইনের চাহিদা রয়েছে।
ক্রেতারা জানান, দেহের পানি শূন্যতা পূরণে অনেকে খাবার স্যালাইন রাখেন। এ ছাড়া অনেকে ডায়রিয়া কিংবা পানিশূন্যতার কারণেও খাবার স্যালাইন নিয়মিত পান করেন। কিন্তু এসএমসির ‘ওরস্যালাইন এন’ প্রায় সময়েই দোকানে পাওয়া যায় না। দোকানিরাও কৌশলে অন্য কোম্পানির নিম্নমানের খাবার স্যালাইন এ সুযোগে বিক্রি করছেন।
ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, যে ফার্মেসিতেই স্যালাইনের জন্য যাচ্ছি মিলছে একই উত্তর- সাপ্লাই নেই, ভাই কী করব? রংপুরজুড়ে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
রংপুরে কর্মরত এসএমসি কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি রংপুরসহ সারাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাবদাহ ও গরমের কারণে খাবার স্যালাইনের সঙ্কট তৈরি হয়েছে। আমরা যে অনুপাতে চাহিদাপত্র সাবমিট করি সে অনুপাতে খাবার ‘প্যালাইন পাই না। ফলে পাইকারি কিংবা খুচরা পর্যায়ের দোকানেও ‘চাহিদামতো খাবার স্যালাইন সরবরাহ করতে পারছি না। তবে দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com