বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

মিঠাপুকুরে চোর সন্দেহে যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮৩ বার পঠিত
রংপুর থেকে সোহেল রশিদ।-রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় চোর সন্দেহে মধ্যযুগীয় কায়দায় মানসিক রোগীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে।
শনিবার (২ আগস্ট) উপজেলার ভাংনী ইউনিয়নের কাগজীপাড়া গ্রামে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মুছা মিয়ার বাড়িতে দিনব্যাপী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এসময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মীকে বাঁধা প্রদান করে মুছা মিয়া গং।
স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামীলীগ নেতা মুছা মিয়ার একটি সাইকেল হারোনার জের ধরে শনিবার সকাল ১০ টার দিকে মুছা মিয়ার বাড়ির সামনে দিয়ে ভাংনী দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে রায়হান মিয়া নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় মুসা মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন আকস্মিক পুথরোধ করে কাঠালের গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে মারপিট শুরু করে। ক্রমাগত মারপিটে মানসিক ভারসাম্যহীন রায়হান অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা বাঁধা প্রদান করে। এসময় স্থানীয়দের বাঁধা উপেক্ষা করে হাতে রশি দিয়ে বেঁধে বাড়ির অভ্যন্তরে নিয়ে গিয়ে তারা পুনরায় নির্যাতন চালায়। একটানা ৫ ঘন্টা নির্যাতনের পরেও সাইকেল চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ে ব্যর্থ হয় মুসা মিয়া গং।
এদিকে নির্যাতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহে যায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী হৃদয় হাসান সাকিব। এসময় সংবাদকর্মীকে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে না দিয়ে হুমকি ধামকি প্রদান করে আওয়ামীলীগ নেতা মুসা মিয়া।
এসময় মব জাস্টিস এড়াতে মিঠাপুকুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি অপারেশন) হাফিজুর রহমানকে বারবার কল দেয়া হলেও ঘটনাস্থলে কোন পুলিশ ফোর্স পাঠায়নি। দিনভর নির্যাতনের পর চুরির সত্যটা না পাওয়ায় ভুক্তভোগী রায়হানের বড় ভাই আক্তারুল ইসলামের হাতে মানসিক ভারসাম্যহীন রায়হানকে বেলা ৩.২০ মিনিটে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তুলে দেন মুসা গং।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী রায়হান মিয়া ও তার পরিবার অব্যাহত ভয়ভীতির কারণে কথা বলতে রাজি হয়নি।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি অপারেশন) মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, এবিষয়ে জানতে পেরেছি।ওই ছেলেকে ছেড়ে দিয়ে তার পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। ছেলেকে ছেড়ে দেয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ আমি পেয়েছি বলেই ফোন কেটে দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com