বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

পীরগঞ্জের শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চালচিত্র- ৪

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৫ বার পঠিত

বজ্রকথা প্রতিবেদক সুলতান আহমেদ সোনা।– অনেকের ধারণা, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আর আগের মত নেই।

মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখছি কিছু কিছু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষার পরিবেশ,পাঠ দানের কৌশল এবং কিছু  কিছু শিক্ষকের আন্তরিকতাকে অবশ্যই শ্রদ্ধা করা উচিত। অবশ্যই পর্যায়ক্রমে সেই সব উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আপনারদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

সম্প্রতি পীরগঞ্জ উপজেলার দ্বারিয়াপুর সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। বিদ্যালয়টি উপজেলা সদর থেকে বেশ খানিকটা দুরে অবস্থিত। ১৯০৪ সালে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। সেত অনেক অনেক দিন আগের কথা।ভাবা য়ায় ১৯০৪ সাল ১২১ বছর আগে ওই এলাকার মানুষের শিক্ষা লাভের সুযোগ দিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল এই প্রাইমারী স্কুলটি। স্কুলটির নম্বর ৯৮। জমির পরিমান ৬২ শতাংশ। জমিদাতা  মমদেল হোসন খন্দকার।

বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ মোবাশেরেুল ইসলাম।তিনি ২০০৭ সালে এই স্কুলে যোগদান করেছেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে আদর্শ গুরুগৃহে পরিণত করেছেন। একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে ওই  এলাকায় মোঃ মোবাশেরুল ইসলাম এঁর যথেষ্ঠ খ্যাতি রয়েছে। তিনি শিক্ষক পুত্র, তার পিতাও একজন  আদর্শ শিক্ষক ছিলেন। প্রধান শিক্ষক সাহেব যত্নসহকারে স্কুলটিকে সাজিয়েছেন।

ওই স্কুলটিতে প্রবেশ করার পর মনেই হয়নি এটা প্রাথমিক বিদ্যালয়! খুলেই বলছি, সুন্দর দোতালা বিল্ডিং, প্রাচীর ঘেরা,প্রবেশ পথ থেকে  অফিস কক্ষ পর্যন্ত  পাকা রাস্তা, রয়েছে ফুলের বাগান, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ওয়াশ রুম। সাজানো গোছানো অফিস কক্ষ। প্রতিটি ক্লাসে রয়েছে বৈদ্যুতিক ফ্যান, রয়েছে ছাঁদ বাগান।

পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিকতায়  মুগ্ধ হয়েছি। স্কুলের দেয়ালে দেয়ালে লেখা রয়েছে মুনিষীদের বাণী।

এদিন প্রধান শিক্ষক এঁর সাথে কথা হলে তিনি জানান,  স্কুলটিতে মোট ২৩০জন শিক্ষার্থী রয়েছে।তিনি জানান শিশু শ্রেণিতে শিক্ষার্থী রয়েছে ২৪ জন, প্রথম শ্রেণিতে ২৯জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৩৮ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৪৪ জন, পঞ্চম শ্রেণিতে ৩৫।

এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকের পদ ৬টি। শুণ্য পদ ২টি। শুন্য পদের কারণে পাঠদান কিছুটা ব্যহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আমরা আশা করবো উপজেলা শিক্ষা বিভাগ শিক্ষক সংকট নিরসনে ব্যবস্থা নেবেন।  আমরা মনে করি, এতে  শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন লেখার পড়ার মান আরো বৃদ্ধি পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com