মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত

তারাগঞ্জে স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৬২৯ বার পঠিত

হারুন উর রশিদ।- রংপুরের তারাগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত¡া হয়ে পড়েন তরুণী। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবার ও সমাজের চাপে তাকে বিয়ে করে প্রদীপ চন্দ্র রায় নামে এক যুবক। বিয়ের ৬ বছর পর নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে ওই গৃহবধূ নমিতা রাণী (২৭)।এ ঘটনায় গৃহবধূর বড়ভাই প্রতিরাম রায় বোনকে বিষপানে হত্যার অভিযোগ এনে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তারগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের কাংলাচড়া গ্রামের মৃত তারক চন্দ্রের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে নমিতা রাণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল একই গ্রামের প্রসন্ন রায়ের পুত্র প্রদীপ চন্দ্র রায় (৩৪)। ওই সময় প্রেমিক প্রদীপ বিয়ের প্রলোভন দিয়ে নমিতাকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। এতে নমিতা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত¡া হয়ে পড়ে।ঘটনাটি জানার পর প্রদীপ নতিমাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে নমিতার পরিবার অভিযুক্ত প্রদীপের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে।পরে মামলা থেকে বাঁচার জন্য প্রদীপ প্রমিকা নমিতাকে ৬ বছর পূর্বে বিয়ে করেন। এ দিকে বিয়ের পর থেকেই নমিতার ওপর প্রায় দিনই শারীরিক নির্যাতন চালায় প্রদীপ। স্ত্রীকে নির্যাতনের ঘটনাটি নিয়ে অত্র এলাকায় বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে এমন কথা বলেছেন এলাকার লোকজন। প্রদীপ ও নমিতার দাম্পত্য জীবনে ৪ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। গত শুক্রবার প্রদীপের বাবার শ্রাদ্ধা অনুষ্ঠান শেষ হলে তার আত্মীয়-স্বজন বিকালে চলে যাওয়া পর লোহার রড দিয়ে নমিতাকে মারধর করে প্রদীপ। নির্যাতনের জ্বালা সইতে না পেরে নমিতা বিষপান করলেও প্রদীপ ও তার পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে নেয়নি।পরে বিষের অসহ্য যন্ত্রণা সইতে না পেরে নমিতা তার মা কল্যাণী রানীকে মোবাইল ফোনে বলেন, মা আমি কত আর নির্যাতন সইব, তাই বিষপান করেছি। একনজর দেখতে চাই বলে ছটফট করতে থাকেন। মেয়ের এমন কথা শুনে মেয়ের বাড়িতে ছুটে আসেন।পরে নমিতার কাকাত ভাই ঘটনাস্থলে এসে নমিতাকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে প্রথমে তারাগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় হাসপাতালে ওয়াশ করে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। রাত ৯টায় সেখানকার চিকিৎসক নমিতাকে মৃত ঘোষণা করেন।নমিতার বড় ভাই প্রতিরাম রায় অভিযোগ করেন, আদরের বোনটাকে মারধর নির্যাতন করে মেরে ফেলল। তারাগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুকুর আলী জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com