ছাদেকুল ইসলাম রুবেল ।-গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় ১৭ পৌষের দিন থেকে শীত হানা দিয়েছে। প্রতিদিনই কমছে তাপমাত্রা, দুপুরের পর এক ঝিলিক হাসি নিয়ে হাঁসছে সূর্য। বাড়ছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগ।
জানা গেছে, জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে প্রতিদিনই তাপমাত্রা কমছে।সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কাছাকাছি অবস্থান করায় শীত অনুভূত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে শীতের তীব্রতা। মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে উপজেলার চারিদিক।সন্ধ্যার পর শুরু হচ্ছে কুয়াশাপাত। মাঝরাতে বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। পাশাপাশি থেমে থেমে বইছে ঠান্ডা বাতাস। ঘন কুয়াশা থাকছে বেলা ১১টা পর্যন্ত।এ সময় হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।রাস্তায় ভারি যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে।অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। পেটের দায়ে অনেক শ্রমজীবী মানুষ কনকনে ঠান্ডার মধ্যেই কাজে বের হচ্ছেন। প্রভাব পড়েছে জীববৈচিত্র্যেও। অনেকে গবাদি পশুকে চটের বস্তা দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন। হাড় কাঁপানো শীতে চরম বিপাকে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। কাজ না পেয়ে অনেকেই অসহায় হয়ে পড়েছেন। গ্রামে কেহ কেহ খড়খুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঠাণ্ডাজনিত রোগ প্রধানত আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। এই শারীরিক জটিলতায় আক্রান্তদের ভিড় বেড়েই চলেছে ক্লিনিক ও হাসাপাতালগুলোতে। বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এই ভোগান্তি প্রতিরোধে গরম কাপড় পরা ও গরম পানি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসরা। এই অবস্থা আরও দুই থেকে তিন দিন থাকার পূর্বাভাসও দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তীব্র শীতের কুপ্রভাব পড়েছে স্থানীয় কৃষিখাতেও। শহরে শীতের কাপড়ের দোকানগুলোতে সর্বশ্রেনীর ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মত। বেশি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। এর পাশাপাশি গূহপালিত পশুর ঠাণ্ডা জনিত বিভিন্ন রোগ দেখা যাচ্ছে। পশুর কাশি,খূরা রোগ,ডায়রিয়ার মত অসুখেও আক্রান্ত হচ্ছে বহু পশু।
Leave a Reply