সুলতান আহমেদ সোনা।–পরিত্র রমজান মাসে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো।
১৪ মার্চ/২৪খ্রি: বৃহস্পতিবার উপজেলার ৪নং কুমেদপুর ইউনিয়নের কয়েকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তেমন একটা নেই। শিক্ষকদের উপস্থিতিও কম।
এর মধ্যে বাজ শীবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা অতি সোচনীয়। এই বিদ্যালয়ে গিয়ে সেবু মিয়া নামে মাত্র একজন শিক্ষককে উপস্থিত পাওয়া যায়। ওই সময় মাত্র ৫জন শিক্ষার্থী স্কুল চত্বরে উপস্থিত ছিল।
স্কুলের অবস্থা এমন কেন? এই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক সেবু মিয়া বজ্রকথাকে জানিয়েছেন, স্কুলটিতে শিক্ষকের পদ রয়েছে ৬টি। পদের বিপরিতে শিক্ষক রয়েছেন ৫জন; কিন্তু শিক্ষিকা দীপ্তি রানী ও হাসিনা আক্তার রয়েছেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে। শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক সাময়িক বরখাস্ত, একটি পদ শুন্য! অপর দিকে প্রধান শিক্ষক মোঃ মান্নান মিয়া রয়েছেন বাইরে আর সেবু মিয়া একাই রয়েছেন স্কুলে।
শিক্ষক সেবু মিয়া খাতা পত্র দেখে যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে জানা গেছে, শীবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭জন কিন্তু কেউ আজ স্কুলে আসে নাই, প্রথম শ্রেনীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০জন কিন্তু সকলেই অনুপস্থিত।
দ্বিতীয় শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬জন উপস্থিত ছিল ৬জন, তৃতীয় শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯জন উপস্থিত আছেন মাত্র ১জন, চতুর্থ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭জন উপস্থিত আছেন ১জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ১৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত দেখান ৩ জনকে।
ওই শিক্ষকের হিসেবে মতে, স্কুলটিতে খাতাপত্রে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৩ জন।১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার ৬ ক্লাস মিলে উপস্থিত দেখান মাত্র ১১জনকে।
আমরা উপস্থিত পেয়েছি ৫ শিক্ষার্থীকে। আর ৫ শিক্ষকের স্থলে উপস্থিত পাওয়া গেছে মাত্র ১ জনকে।
Leave a Reply