বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

শেরপুরে ঘরে ঘরে জ্বর ঠান্ডা ও কাশিতে আক্রান্ত মানুষেরা আসছেনা করোনা পরীক্ষার আওতায় 

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ২৬০ বার পঠিত

উত্তম সরকার, বগুড়া প্রতিনিধি।- বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ঠান্ডা, জ্বর, মাথা ব্যাথা, শরীর ব্যাথায় ইত্যাদি উপসর্গ নিয়ে ভুগছে। এই সব মানুষ করোনা কালীন এসময়ে আসছে না নমুনা পরীক্ষার আওতায়। এ সকল উপস্বর্গ নিয়ে গ্রামের মানুষগুলো বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসছেন চিকিৎসা নিতে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো করোনা ভাইরাসের নমুমা পরীক্ষার আওতায় না আসায় করোনা সংক্রমনের হার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জানা যায়, এ উপজেলায় রয়েছে ১০টি ইউনিয়নে ২৯ টি কমিউনিটি ক্লিনিক। আর ফার্মেসী রয়েছে ১ হাজারের উপরে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা ও ঔষধ কিনতে যান ঠান্ডায়, জ্বর ও শরীর ব্যাথা আক্রান্ত রোগীরা। এদের মধ্যে আবার কারো কারো নাকে গন্ধও নেই। কেউ আবার পাচ্ছেনা খাবারের স্বাদ। খোজ নিয়ে জানা গেছে প্রায় সব বাড়িতেই কমবেশী রয়েছে ঠান্ডা, জ্বর ও শরীর ব্যাথার রোগী। এদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছেনা বলে এলাকার সচেতন মানুষ জানায়। শুধু তাই নয় এই রোগীদের করোনা পরীক্ষার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে না। তাদের স্বাভাবিক জ্বর, নাকি করোনা ভাইরাস বহন করে বেড়াচ্ছে।

এ ব্যাপারে খানপুরের ছাতিয়ানী কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা আজিরণ বেওয়া বলেন, হঠাৎ করেই আমার ভিষণ জ্বর হয়েছে। সাথে শরীরে ব্যাথাও আছে। নাকের গন্ধের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ঠান্ডার জন্য কোন কিছুই বুঝতে পারছিনা। নমুনা সংগ্রহের কথা বললে তিনি বলেন, আমরা গ্রামের মানুষ আমাদের করোনা হবেনা। তাছাড়া করোনা ধরা পড়লে খুব বিপদ হবে। তার চেয়ে আমাকে ঔষধ দেন এমনিতেই ভাল হয়ে যাব।

অন্যদিকে খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁজর কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার আফাজ উদ্দিন লিটন জানান, আমি প্রত্যেকদিন প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন মানুষকে সাধারণ চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি। এদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ জ্বর , ঠান্ডা ও বিভিন্ন ব্যাথায় আক্রান্ত। খুব ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। গ্রামের মানুষতো করোনাকে বিশ্বাসই করেনা।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল কাদের বলেন, মাঠ পর্যায়ে আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা আছেন। তারা গ্রামের সাধারণ মানুষদের সচেতনে কাজ করছেন এবং তারা এসব রোগীদের উদ্বুদ্ধও করছেন করোনার পরীক্ষা করানোর জন্য। স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি সহ সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করলে এরাও নমুনা পরীক্ষার আওতায় আসবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com