মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত

হোসেনপুরে বেড়িবাঁধ নির্মাণে বাঁধা: বন্যার পানিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৯৪ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।-  কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বেড়িবাঁধ নির্মাণে বাধার কারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে এ থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় কয়েকশত পরিবার। সা¤প্রতিককালে বয়ে যাওয়া আকস্মিক বন্যার পানি প্রবেশে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় আবার শঙ্কায় রয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, জিনারী ইউনিয়নের চরবেষ্টিত চরকাটিহারি, চর হাজীপুর, চর জিনারী, চর হটর আলগী ও দেঢ়িয়া পাড়া এ পাঁচটি গ্রামে বন্যার বাড়তি পানি যাতে ঢুকতে না পারে, সে জন্য ২০০৬ সালে পোড়াবাড়িয়া থেকে চর জিনারী পর্যন্ত ৭.৪৫ কিলোমিটার রাস্তা পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মাণ করলেও চর হাজীপুর কান্দারবাড়ি নামক স্থানে স্থানীয় আব্দুল লতিফ মাষ্টার ও আব্দুল মালেকের বিরোধের কারণে ৪৩ মিটার জায়গা অরক্ষিতই থেকে যায়। পরে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এ রাস্তাটি স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) পাকা করলেও লতিফ মাষ্টারের বাড়ি থেকে চাঁন মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ৪৩ মিটার রাস্তার অংশ অদ্যাবধি বাদই রয়ে যায়। ফলে বাজেট এর ৩০ লক্ষ টাকা ফেরত যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, বাঁধের এ অংশটুকু না হওয়ার কারণে এ বছর ১ হাজার ৭৭০টি পরিবারের ১৪৮ হেক্টর জমির বীজতলা ও বিভিন্ন ফসলি জমির প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫০ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামীতে বন্যা হলে আরো ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে চরহাজীপুর এলাকার চাঁন মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, আব্দুর রাজ্জাকসহ অনেকেই প্রশাসনের কাছে বাঁধের এ অংশটুকু নির্মাণ করার দাবি জানান। তারা জানান, বাঁধের এই অংশটুকু নির্মাণ করা হলে একদিকে যেমন ফসল রক্ষা হবে তেমনি এর মাধ্যমে এ এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থাও সহজ হবে। বাধা প্রদানকারী লতিফ মাষ্টার জানান, ১৯৬০ সালে রাস্তাটি রেকর্ডভুক্ত হলেও ১৯৮৫ সালে রাস্তাটি স্থান পরিবর্তন করে তার জায়গা বাদ দিয়ে আব্দুল মালেকের জায়গা দিয়ে হালট করে নেওয়া হয়। এখন উভয়ের অংশ থেকে সমান অংশ নিয়ে রাস্তাটি করা হলে তার কোন আপত্তি নাই। এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা প্রকৌশলী এজেডএম রাকিবুল আহসান জানান, জায়গার মালিক দু’জনই ছাড় দিতে নারাজ থাকায় অনেক চেষ্টা সত্বেও একাধিকবার এ অংশটুকু নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্ধ আসলেও ফেরত দিতে হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াহিদুজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন একটি জায়গা দিয়ে লোকজন চলাফেরা করলে তখন তা রাস্তার পরিণত হয়ে যায়। সে হিসেবে নি:সন্দেহে এ অংশ জনস্বার্থে রাস্তার জন্য দিতে হবে। হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ,এস,এম, জাহিদুর রহমান জানান, তিনি বিরোধ পূর্ণ জায়গাটি পরিদর্শন করেছেন। এলাকা বাসী ও স্থানীয় প্রকৌশলীর সাথে পরামর্শ করে বাজেটের ব্যবস্থা করে বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com