বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

পীরগঞ্জে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগীতা নিয়ে কিছু কথা

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩
  • ৪৫১ বার পঠিত

সুলতান আহমেদ সোনা।-  জুলাই মাসের ১১ ও ১২ তারিখে পীরগঞ্জ উপজেলার কসিমন নেছা বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ২০২২ ও ২০২৩ সালের –জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ওই দুইদিন সাহিত্য, সাংস্কৃতি ও ক্রিড়া বিষয়ে প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলার স্কুল ও মাদ্রাসা গুলো এতে অংশ নিয়েছে। প্রতিযোগীরা শর্ত অনুযায়ী একক ভাবে অংশ নিয়েছে।
এই প্রতিযোগীতা সার্বিকভাবে পরিচালনা করেছেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ।
বরাবরের মতই এবারো  এই প্রতিযোগিতা  খুব নিকট থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার।

দু:খের বিষয়, পীরগঞ্জে প্রতিযোগীতা হচ্ছে বটে কিন্তু পীরগঞ্জের প্রতিযোগী ছাত্র/ছাত্রীরা ভালো কিছু করতে পারছে না।
দেখে আসছি, শিক্ষার্থী দেরকেউ কেউ উপজেলা পর্যায়ে, মন্দের ভালো হিসেবে নির্বাচিত হয়ে জেলা পর্যায়ে অংশ নিলেও, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
প্রশ্ন উঠতেই পারে, কোন এখানকার শিক্ষার্থীরা উপরে উঠতে পারছে না ? সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে স্থান করে নিতে পারছে না ?
হ্যা এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে , শিক্ষার্থীদের পিতা মাতারা সন্তানদের পড়ালেখার বাইরে সন্তানদের সৃজনশীল প্রতিভা সম্পর্কে উদাসীন। এর পর যে কারণ রয়েছে তা হলো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছর বিচ্ছন্নভাবে খেলাধুলা হলেও সাহিত্য ও সংস্কৃতির উপরে কোন রকম চর্চার ব্যবস্থা নেই  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ।  নেই শিক্ষক প্রতিক্ষক।

হামদ/নাত, নৃত্য- গান বাজনার উপর প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা নেই। যদিও উপজেলা সদরের কিছু ছেলে মেয়ে প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় তাদের মধ্যে কেউ কেউ রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল সঙ্গীত, দেশগান, লোকগীতি, ভাবসংঙ্গীত ,নৃত্য পরিবেশ করেন তারাও দক্ষ শিক্ষকের দেখা পাননা বলে প্রতিভা থাকার পরেও যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হচ্ছেন।

এবারের প্রতিযোগীদের দেখে খুব কষ্ট পেয়েছি। মাদ্রাসগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেও অংশ নিয়েছেন হাইস্কুল গুলো থেকেও শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন বটে কিন্তু তারা ঠিক মত গাইতে পারেনি। কারণ প্রশিক্ষণ ছাড়াতো কিছু হয় না। হামদ/ নাথের পার্থ ক্য তারা  জানেনা বলেই  প্রতিযোগীরা মায়ের গজল, নামাজের গজল পরিবেশন করেছে।
ইউনিয়ন পর্যায় থেকে যারা অংশ নিয়েছে তাদের প্রতিভা আছে কিন্তু প্রশিক্ষণ না পাওয়ায় ফলাফল তথৈবচ ! দেখেছি গানের সুর ঠেক নেই, তাল ,লয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা নেই।
এখানকার যে কজ’ন নৃত্য পরিবেশন করেছে তা দেখে মনে হয়েছে , পীরগঞ্জ নাচের ক্ষেত্রে এখনো ৫০ বছর পিছনে রয়েছে। আমি মনে করি এদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত।মাঠ পর্যায়ে যে ঘাটতি ও দূর্বলতা রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠন গুলোকে উদ্যোগ নিয়ে হবে।
আর একটি কথা এবারের আয়োজনেও আয়োজকদের অনেক ত্রুটি ছিল। ছিলনা ব্যানার। সময় মত বিচারকরদের সাথে যোগাযোগ করা হয়নি। দেওয়া হয়নি চিঠি পত্র। কাগজ , কলম ঠিকমত সরবরাহ করা হয়নি। আগে থেকে হারমনিয়ম , ডুগি তবলাও আনা হয়নি। মাইকের ব্যবস্থাও ভালো ছিল না। এমনকি বিচারকদের সন্মানি পর্য ন্ত  প্রদান করা হয়নি।
তাই বলবো শিশুদের প্রতিভা নিয়ে জোড়াতালি দেওয়া যাবে না। দায়সারা গোছের প্রতিযোগীতা দিয়ে পীরগঞ্জের প্রতিযোগীদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানো যাবে না।ভবিষ্যতের জন্য বিষটি ভেবে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com