বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

রংপুরের বিভিন্ন স্থানে খুরা রোগের প্রার্দূভাব, দুশ্চিন্তায় খামারিরা

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩০১ বার পঠিত

রংপুর সোহেল রশিদ।- রংপুর মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে খুরা রোগের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত খুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১১টি গরু। এর মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে কয়েক শতাধিক। ভাকসিন ও চিকিৎসা সেবা কোন কাজেই আসছে না। একারণে গরু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন খামারিরা। তারা সরকারি ভাবে ভাকসিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ছোট রংপুর এলাকার রোকসানা বেগমের ৫টি, দিলিপ চন্দ্রের দুইটি, সাজু মিয়ার দুইটি, বাবুল মিয়ার দুইটি উন্নত মানের গরুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বড় রংপুর, জোড়ইন্দা, সাতমাথা, মাহিগঞ্জসহ হারাগাছ, তামপাট ও পীরগাছা, কাউনিয়া এলাকায় এই রোগের প্রার্দুভাব গেছে। এতে অনেক খামারি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
কয়েকজন খামারি জানান, গরুর যে হারে খুরা রোগ দেখা দিয়েছে তাতে আমরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ এবারের খুরা রোগ প্রতিবছরের মতো নয়। মারাত্মক শক্তিশালী। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে ভাকসিন সরবরাহ সহ মনিটরিং দাবি করেন।
বিষয়ে প্রাণি সম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা আবু হানিফ জানান, এবারের খুরা রোগের ধরণ ভিন্ন ও শক্তিশালী। গরু আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং জাবর কাটা বন্ধ করে দেয়। গায়ে মাত্রারিক্ত জ্বর থাকে। জিব্বা ও পায়ের ক্ষত দেখা যায়। বর্তমানে এসকল আক্রান্ত গরুকে ভাকসিন দিয়ে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে গরু এ রোগে আক্রান্ত হবার আগে বছরে দুই বার ৬ মাস পরপর খুরা রোগের ভাকসিন প্রয়োগ করা প্রয়োজন। এতে রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তারা সব ধরণের পরামর্শ দিচ্ছে খামারিদের।
এদিকে ক্ষুরা রোগের ভাকসিন অধিক মূল্যবান ফলে সবার পক্ষে এই ভাকসিন ক্রয় করে গরুকে প্রয়োগ করতে পারে না। সরকারিভাবে ভাকসিন প্রয়োগ করা হলে খুরা রোগ থেকে গরু রক্ষা পাবে বলে খামারিরা মনে করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com