বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

  রংপুরে সংরক্ষণ করতে না পারায় প্রতিবছর নষ্ট  হচ্ছে আম  

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ৪৭৮ বার পঠিত

রংপুর  থেকে সোহের রশিদ।- রংপুরে সঠিকভাবে আম সংরক্ষণ করতে না পারায় প্রতিবছর আমের ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যার বাজার মূল্য ৪৫ কোটি টাকার ওপরে।

এছাড়া কাঁঠাল ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ, কলা ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, লিচু ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, আনারস ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ ও পেঁপে ২৫ থেকে ৩৯ শতাংশ সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় প্রতি বছর।দীর্ঘদিন থেকে রংপুরে একটি ফল সংরক্ষণাগার   স্থাপনের দাবী  উঠলেও বিষয়টি আমলে নেননি সরকার। এতে চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ছেন। এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে রংপুর ও  মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত হিমাগার   স্থাপনের  দাবি করেছেন তারা।
তবে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড: মোঃ আব্দুস শহীদ রংপুরের পদাগঞ্জে হাড়িভাঙ্গা আমের মেলা উদ্বোধন করতে এসে কথা দিয়েছেন মিঠাপুকুরে আম ও সবজি সংরক্ষণের জন্য একটি বিশেষায়িত হিমাগার করা হবে। এতে অনেকে আশার আলো  দেখছেন  ।সেই সাথে ন্যায্য মূল্যও পাবেন বলে তারা আশবাদি।
জানাগেছে, রংপুরের আমের রাজধানী বলা হয় মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ অঞ্চলকে। এই এলাকা ঘিরে গড়ে উঠেছে কয়েক শতাধিক আমবাগান। চলতি বছরে রংপুর জেলায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে হাড়িভাঙ্গার ফলন হয়েছে প্রায় পৌনে দুই হাজার হেক্টরের ওপর। প্রতি হেক্টরে ফলন ধরা হয়েছে গড়ে ১০ থেকে ১২ মেট্রিকটন। সেই হিসেবে এবার আমের উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ৩৫ হাজার মিট্রিক টন অর্থাৎ ৩৫ লাখ কেজির বেশি। প্রতিকেজি ৭০/৮০ টাকা দরে বিক্রি হলে আড়াই’শ কোটি টাকার ওপরে আম বিক্রি হওয়ার আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানায়, রংপুরে প্রতিবছর দুই থেকে আড়াইশ কোটি টাকার হাঁড়িভাঙ্গা আম বিক্রি হয়। এর বাইরে সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে এবং বিভিন্নভাবে অপচয়ের কারণে প্রতি বছর ৪৫ কোটি টাকার বেশি আম নষ্ট হচ্ছে  রংপুরে। এছাড়া কাঁঠাল, লিচু, আনারস, পেপে ইত্যাদি ফল গড়ে মোট উৎপাদনের ২০ থেকে ৪০ শতাংশ নষ্ট হচ্ছে । এছাড়াও বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয় রংপুরে।
এবিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপ-পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মৌসুমের সময় দেশের অনেক ফল ও সজি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। অধিক উৎপাদনের ফলে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া কৃষকরা সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রী সম্প্রতি কথা দিয়েছেন মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত একটি হিমাগার নির্মাণ করা হবে। আশা করছি দ্রুত তা বাস্তবায়ন হবে।

আম ॥ দ্রুত বিশেষায়িত হিমাগার ¯’াপনের দাবি
রংপুর ব্যুরো॥
রংপুরে সঠিকভাবে আম সংরক্ষণ করতে না পারায় প্রতিবছর আমের ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে যা”েছ। যার বাজার মূল্য ৪৫ কোটি টাকার ওপরে। এছাড়া কাঁঠাল ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ, কলা ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, লিচু ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, আনারস ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ ও পেঁপে ২৫ থেকে ৩৯ শতাংশ সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় প্রতি বছর।দীর্ঘদিন থেকে রংপুরে একটি ফল সংরক্ষণাগার ¯’াপনের দাবি উঠলেও বিষয়টি আমলে নেননি সরকার। এতে চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ছেন। এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে রংপুর ও  মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত হিমাগার ¯’াপনের দাবি করেছেন তারা।
তবে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড: মোঃ আব্দুস শহীদ রংপুরের পদাগঞ্জে হাড়িভাঙ্গা আমের মেলা উদ্বোধন করতে এসে কথা দিয়েছেন মিঠাপুকুরে আম ও সবজি সংরক্ষণের জন্য একটি বিশেষায়িত হিমাগার করা হবে। এতে অনেকে আশার আলো ¯’ানীয়রা।সেই সাথে ন্যায্য মূল্যও পাবেন বলে তারা আশবাদি।
জানাগেছে, রংপুরের আমের রাজধানী বলা হয় মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ অঞ্চলকে। এই এলাকা ঘিরে গড়ে উঠেছে কয়েক শতাধিক আমবাগান। চলতি বছরে রংপুর জেলায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে হাড়িভাঙ্গার ফলন হয়েছে প্রায় পৌনে দুই হাজার হেক্টরের ওপর। প্রতি হেক্টরে ফলন ধরা হয়েছে গড়ে ১০ থেকে ১২ মেট্রিকটন। সেই হিসেবে এবার আমের উৎপাদন আশা করা হ”েছ ৩৫ হাজার মিট্রিক টন অর্থাৎ ৩৫ লাখ কেজির বেশি। প্রতিকেজি ৭০/৮০ টাকা দরে বিক্রি হলে আড়াই’শ কোটি টাকার ওপরে আম বিক্রি হওয়ার আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
¯’ানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানায়, রংপুরে প্রতিবছর দুই থেকে আড়াইশ কোটি টাকার হাঁড়িভাঙ্গা আম বিক্রি হয়। এর বাইরে সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে এবং বিভিন্নভাবে অপচয়ের কারণে প্রতি বছর ৪৫ কোটি টাকার বেশি আম নষ্ট হ”েছ রংপুরে। এছাড়া কাঁঠাল, লিচু, আনারস, পেপে ইত্যাদি ফল গড়ে মোট উৎপাদনের ২০ থেকে ৪০ শতাংশ নষ্ট হ”েছ। এছাড়াও বিভিন্ন জাতের আম চাষ হয় রংপুরে।
এবিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপ-পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মৌসুমের সময় দেশের অনেক ফল ও সজি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। অধিক উৎপাদনের ফলে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া কৃষকরা সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হ”েছন। তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রী সম্প্রতি কথা দিয়েছেন মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত একটি হিমাগার নির্মাণ করা হবে। আশা করছি দ্রুত তা বাস্তবায়ন হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com