বজ্রকথা প্রতিবেদক।- পীরগঞ্জ উপজেলার শাহ আব্দুর রউফ কলেজ ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পীরগঞ্জ উপজেলার প্রথম কলেজ। সম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে সরকারী করণ করা হয়েছে।
বর্তমানে কলেজটিতে আগের শিক্ষকরা কেউ আর নেই। নিয়মের পথ ধরে সময়ের দাবী মেটাতে নতুন নতুন শিক্ষকদের আগমন ঘটেছে প্রতিষ্ঠানটিতে।
আগের সেই বাঁশের সেচা টিনের চালা ঘরও উধাও হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নের পথে পাকা বহুতল বিশিষ্ঠ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটির ভিতরে নানা রকম সমস্যাও দানা বেঁধেছে।
বিগত সময়ে অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে রয়েছে শিক্ষক নিয়োগে অনৈতিক কারবারের অভিযোগ,অর্থনৈতিক অনিয়মের নানা গুঞ্জন। দলীয় পরিচয়ের অধীনে কলেজটিকে কামধেনু বানানোর নানা কথা।
এদিকে বেশ কিছু দিন হয় নারী শিক্ষক ও পুরুষ শিক্ষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে দ্বন্দ্ব! ইদানিং শুরু হয়েছে, অশিক্ষক কর্মচারী ও শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই। সুত্র বলেছে, এর সাথে রয়েছে আওয়ামী পন্থি ও সংস্কার পন্থি শিক্ষদের মনস্তাত্তি¡ক বিরোধ।
এরই ধারাবাহিকতায় শাহ আব্দুর রউফ কলেজে শিক্ষকদের একটি পক্ষ প্রশ্ন তুলেছেন, লাইব্রেরীয়ান (অশিক্ষক কর্মচারী) কী শিক্ষক ? তিনি কি করে কলেজের শিক্ষা সংক্রান্ত কমিটিতে থাকেন,উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুক্ত হন?
এক্ষেত্রে আঙ্গুল তুলেছেন, বাংলা বিভাগের শিক্ষক খাদিমা রব্বানী মেঘলা। তিনি অভিযোগ করেন, কলেজের গ্রন্থাগারিক মো: রাশেদুন্নবী সাজন (অশিক্ষক কর্মচারী) তিনি কলেজে লাইব্রেরীয়ান হিসেবে তার দায়িত্ব পালন না করে কলেজে সারা দিন ক্যামবোর্ড নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। রাতের বেলাতেও কলেজে বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা দেন, কিন্তু কেন ? বির্তক রয়েছে, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মো: শফিকুল ইসলামকে নিয়েও।
এই অভিযোগের উত্তর হিসেবে রাশেদুন্নবী সাজন বজ্রকথাকে জানিয়েছেন, তিনি গ্রন্থাগারিক হলেও তিনি শিক্ষক। অধ্যক্ষ চাইলে কলেজের যে কোন দায়িত্ব পালন করাতেই পারেন।
এরই মধ্যে ওই শিক্ষকরা প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছেন, এবং সাজন ও মেঘলা উভয়েই অশ্রাব্য বাক্যে বিনিময় করেছেন! সে কারণে গ্রন্থাগরিক সাজন এর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন,লাঞ্চিত করণ ও উত্যক্ত করার অভিযোগ তুলে অধ্যক্ষ বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন,খাদিমা রব্বানী মেঘলা।
অপর দিকে শিক্ষক মেঘলার বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন,মো: রাশেদুন্নবী সাজন (অশিক্ষক কর্মচারী)।
প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বজ্রকথাকে জানিয়েছেন,তিনি ওই ঘটনার সাথে কোন ভাবেই জড়িত ছিলেন না।
Leave a Reply