ঘোড়াঘাটে জুয়ার আসর ভাঙতে তিন থানার সমন্বিত অভিযানঘোড়াঘাট, প্রতিনিধি:-দিনাজপুর ঘোড়াঘাট ও নবাবগঞ্জ এবং রংপুরের পীরগঞ্জ থানার সীমান্তবর্তী করতোয়া নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল এখন জুয়ার নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে প্রকাশ্যে বসছে লাখ লাখ টাকার জুয়ার আসর। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক অভিযান পরিচালিত হলেও কিছু সময়ের বিরতির পরই আবার শুরু হতো জুয়ার কার্যক্রম। স্থানীয়দের দাবি, তিন থানার সমন্বিত ও একযোগে পরিচালিত যৌথ অভিযান ছাড়া এই চক্র নির্মূল করা সম্ভব নয়।
স্থানীয়দের দাবি, তিন থানার সীমান্ত এলাকায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল হওয়ায় এককভাবে কোনো একটি থানার পক্ষে এই জুয়ার আসর বন্ধ করা কঠিন। তাই বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ ও পীরগঞ্জ থানার পুলিশের সমন্বয়ে একযোগে পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করলে জুয়ার আসর ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকার বাসিন্দা জানান, প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চরাঞ্চলে শত শত মানুষের সমাগম ঘটে। দূর-দূরান্ত থেকেও জুয়াড়িরা সেখানে আসে।
তারা আরও জানান, শুধু অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। জুয়ার মূল হোতা, অর্থদাতা এবং পরিচালকদের আইনের আওতায় এনে নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, তিন থানার যৌথ পরিকল্পনা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিয়মিত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হলে সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে গড়ে ওঠা জুয়ার এই আসর ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, করতোয়া নদীর দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে জুয়ার আসর পরিচালিত হচ্ছে। জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এর আগে একাধিক অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে মামলা করা হয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে এ কার্যক্রম বন্ধ করতে তিন থানার সমন্বিত ও নিয়মিত যৌথ অভিযান প্রয়োজন।
Leave a Reply