বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

ঘোড়াঘাটে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (সয়তান জালে) সয়লাব বিপর্যস্ত জলাশয়, হুমকিতে দেশীয় মাছ

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩১ বার পঠিত

ঘোড়াঘাটে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (সয়তান জালে) সয়লাব বিপর্যস্ত জলাশয়, হুমকিতে দেশীয় মাছ

ঘোড়াঘাট থেকে বজ্রকথা প্রতিনিধিঃ-দিনাজপুরে ঘোড়াঘাট সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও উপজেলার বিভিন্ন খাল, বিল, নদী ও জলাশয়ে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে চায়না দুয়ারী (সয়তান জাল)। উপজেলা জেলার প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন খালে ও বিলে চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে কিছু অসাধু মৎস্য শিকারি।

ক্ষতিকর এই জালে শুধু মাছ নয়, ধ্বংস হয়েছছ মাছের ডিম, রেণু ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে দেশীয় মাছের প্রজাতি ও জলজ জীববৈচিত্র্য। এখন অনেকেই চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করেন। এমনকি নদীর তীরেও এই জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হ”েছ। আগে কারেন্ট জাল মাছের বংশসহ ধ্বংস করেছে, এখন বাকিটা ধ্বংস করছে এই চায়না দুয়ারি ।

¯’ানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম জানান, পরিবেশকর্মী ও মৎস্য সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ঘোড়াঘাট পৌর এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে গোপনে বিক্রি হ”েছ নিষিদ্ধ এই জাল।
সরকার নিষিদ্ধ করলেও আমার গ্রামের খালে বিলে ও ধান খেতে অহরহ এই জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হ”েছ। অনেক মৎস্য শিকারি দীর্ঘ সময় পানিতে জাল ফেলে রেখে নির্বিচারে মাছ আহরণ করছেন। এতে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দেশী মাছ কমে যাচ্ছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলার আরো কয়েজ জনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, একসময় কারেন্ট জালের কারণে দেশীয় মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন চায়না দুয়ারী (সয়তান জাল)। সেই ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই জালে বড় মাছের পাশাপাশি রেণু, ডিম ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী আটকা পড়ে মারা যায়। অনেক সময় এসব জাল দীর্ঘদিন পানিতে ফেলে রাখা হয়। ফলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।নাম প্রকাশে অনি”ছুক এক জেলে জানান, চায়না দুয়ারী জাল টেকসই হওয়ায় অনেকেই এটি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন পানিতে রেখেও মাছ ধরা যায় এবং তুলনামূলক কম খরচ হওয়ায় জেলেদের মধ্যে এর ব্যবহার বেড়েছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা মৌসুম দেশীয় মাছের প্রজননের গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের উৎপাদন আরও কমে যাবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে জলজ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, দেশীয় মাছ সংরক্ষণে সারা বছরই নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বর্ষা মৌসুমে এসব জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় খুব শিগগিরই উপজেলা জুড়ে বিশেষ অভিযান চালানো হবে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিম বলেন, পৌরর মধ্যে কিছু জাল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ জালের ব্যবহার বন্ধে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। উপজেলা মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যব¯’া নেওয়া হবে।

ঘোড়াঘাটে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (সয়তান জালে) সয়লাব বিপর্যস্ত জলাশয়, হুমকিতে দেশীয় মাছ

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধিঃ-
দিনাজপুরে ঘোড়াঘাট সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও উপজেলার বিভিন্ন খাল, বিল, নদী ও জলাশয়ে অবাধে ব্যবহার হ”েছ চায়না দুয়ারী (সয়তান জাল)। উপজেলা জেলার প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন খালে ও বিলে চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে কিছু অসাধু মৎস্য শিকারি।

ক্ষতিকর এই জালে শুধু মাছ নয়, ধ্বংস হ”েছ মাছের ডিম, রেণু ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে দেশীয় মাছের প্রজাতি ও জলজ জীববৈচিত্র্য। এখন অনেকেই চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করেন। এমনকি নদীর তীরেও এই জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হ”েছ। আগে কারেন্ট জাল মাছের বংশসহ ধ্বংস করেছে, এখন বাকিটা ধ্বংস করছে এই চায়না দুয়ারি (সয়তান জাল)।

¯’ানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম জানান, পরিবেশকর্মী ও মৎস্য সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ঘোড়াঘাট পৌর এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে গোপনে বিক্রি হ”েছ নিষিদ্ধ এই জাল।
সরকার নিষিদ্ধ করলেও আমার গ্রামের খালে বিলে ও ধান খেতে অহরহ এই জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হ”েছ। অনেক মৎস্য শিকারি দীর্ঘ সময় পানিতে জাল ফেলে রেখে নির্বিচারে মাছ আহরণ করছেন। এতে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন বাধাগ্রস্ত হ”েছ। দেশী মাছ কমে যা”েছ।

ঘোড়াঘাট উপজেলার আরো কয়েজ জনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, একসময় কারেন্ট জালের কারণে দেশীয় মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন চায়না দুয়ারী (সয়তান জাল)। সেই ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই জালে বড় মাছের পাশাপাশি রেণু, ডিম ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী আটকা পড়ে মারা যায়। অনেক সময় এসব জাল দীর্ঘদিন পানিতে ফেলে রাখা হয়। ফলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।

¯’ানীয় শিক্ষক আসাদুজ্জামান, শাহ মোঃ আতাউর বলেন, গ্রাম্য বাজারগুলোতে দেশীয় মাছের প্রাধান্য আর দেখা যায় না। ইতোমধ্যে অনেকগুলো দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়েছে। যেগুলো আছে সেগুলোও হয়ত বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না। অথচ, এই দেশীয় মাছ আমাদের আমিষের চাহিদা মেটায়। এই মাছ কমে যাওয়ার ফলে বিভিন্ন হাইব্রিড মাছে বাজার সয়লাব হয়ে যা”েছ, যা জনস্বা¯ে’্যর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সরকারের উচিত চায়না দুয়ারি (সয়তান জালের) উৎপাদনে কঠোর নজরদারি করে ব্যব¯’া নেওয়া।

নাম প্রকাশে অনি”ছুক এক জেলে জানান, চায়না দুয়ারী জাল টেকসই হওয়ায় অনেকেই এটি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন পানিতে রেখেও মাছ ধরা যায় এবং তুলনামূলক কম খরচ হওয়ায় জেলেদের মধ্যে এর ব্যবহার বেড়েছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা মৌসুম দেশীয় মাছের প্রজননের গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের উৎপাদন আরও কমে যাবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে জলজ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, দেশীয় মাছ সংরক্ষণে সারা বছরই নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বর্ষা মৌসুমে এসব জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় খুব শিগগিরই উপজেলা জুড়ে বিশেষ অভিযান চালানো হবে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিম বলেন, পৌরর মধ্যে কিছু জাল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ জালের ব্যবহার বন্ধে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। উপজেলা মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যব¯’া নেওয়া হবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com