মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত

মিঠামইনে শিক্ষক নিয়োগের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ 

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ৭২৩ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।-  জেলার মিঠামইন উপজেলার ৬নং কাটখাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের কাকুয়া গ্রামের গৃহবধূ আকলিমা খাতুনের কাছ থেকে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করা রয়েছে। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জের আমলি আদালতে ভুক্তভোগী আকলিমা খাতুন গত বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আকলিমা খাতুন বলেন, ২০১৪ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় অংশ নেন তার স্বামী আবু হানিফ। বিশেষ কারণে নিয়োগ পরীক্ষা  স্থগিত হয়ে যায়। পরে ২০১৮ সালে স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষা শুরু হলে আবু হানিফ এতে অংশ নেন। ২০১৮ সালের এপ্রিলে আকলিমার স্বামীকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান। নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর তার স্বামীর নাম না থাকায় চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের কাছে টাকা ফেরত চান। তখন টাকা দেবে বলে কথা দেন চেয়ারম্যান। পরে ৩-৪ কিস্তিতে ৮০ হাজার টাকা ফেরত দেন। বাকি টাকা ফেরত চাইলে ফের ২০১৯ সালে নিয়োগের সময় চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। এতে রাজি হননি তারা। পরে একই বছর ৪ অক্টোবর রাতে চেয়ারম্যান তার লোকজন নিয়ে আবু হানিফের বাড়ি গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার স্বীকারোক্তি মোবাইল ফোনে রেকর্ড নেন। ঘটনার দিন বাড়ি ছিলেন না আকলিমা। বিষয়টি   সাংসদ রেজওয়ান আহমেদ তৌফিককে জানানো হয়। এরপর থানায় গিয়ে চেয়ারম্যান তাজুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। জানা গেছে, আবু হানিফ বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ঋণ করে নিয়েছেন। ঋণের টাকার সুদ দিতে না পারায় নিরুপায় হয়ে কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন আবু হানিফ। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ ঘটনাও ষড়যন্ত্রের অংশ। মিঠামইন থানার ওসি জাকির রাব্বানী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর এসআই নজরুল ইসলাম ঘটনাটি তদন্ত করছেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com