বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

নবাবগঞ্জে চড়ারহাটে একাত্তরের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল 

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৬৫৫ বার পঠিত
নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) সৈয়দ হারুনুর রশীদ।-  দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের চড়ারহাট (প্রাণকৃঞ্চপুর) গ্রামে ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আজকের এই দিনে পাক বাহিনী তাদের দোসরদের ইশারায় নিরিহ ১৫৭ মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছিল। ও-ই শহীদদের স্মরণে প্রতিবারের মতো আজকেও পুটিমারা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে দুপুর ১২ টায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে মুক্তিযোদ্ধা ফোরামের সেক্টর কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামীলীগের জেলা সহ-সভাপতি আলতাফুজ্জামান মিতা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ নাজমুন নাহার,বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী সহজ অন্যান্যরা। আলোচনা সভার পর্বে মুক্তিযোদ্ধা ফোরাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার,চড়ার হাট শহীদ স্মৃতি কলেজ ও প্রানকৃষ্ণ উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষে স্মৃতি মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়ে।৭১ সালের ওই দিনের ঘটনায়
জানা যায়, হানাদার বাহিনীর উপর মুক্তি সেনারা হামলা চালিয়েছিল বিরামপুর উপজেলার বিজুল নামক স্থানে। এরই প্রেক্ষাপটে প্রতিশোধ নিতে ওই দিন ভোরে তারা চড়ারহাট (প্রাণকৃঞ্জপুর) গ্রাম ঘেরাও করে গ্রামের মানুষকে একত্রিত করার পর লাইন করে দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল। তখন এর মধ্যে কেউ কেউ আহত হয়ে ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষায় হানাদার বাহিনীর নারকীয় ওই হত্যাকান্ডের  পর লাশের কাফনের কাপড় হিসাবে শাড়ী ও মশারীর কাপড় ব্যবহার করে এক কবরে একাধিক লাশ দাফন করা হয়েছিল। বর্তমানে শহীদদের স্বরণে সেখানে একটি স্মৃতিমিনার স্থাপন করা হয়েছে। প্রতি বছরের এই দিনে সেখানে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা হয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com