বজ্রকথা প্রতিনিধি।- অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির পারিবারিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিশুদের শিক্ষার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে গত ২০-২২ মার্চ/২২খ্রী: তারিখে পীরগঞ্জ এপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর কর্ম এলাকার চারটি ইউনিয়নের অতি দরিদ্রদের মধ্যে বকনা গুরু বিতরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৪০টি, পীরগঞ্জ ইউনিয়নের ৩০টি এবং চতরা ইউনিয়নের ৩০টি পরিবারের মধ্যে মোট ১০০টি বকনাগরু হস্তান্তর করা হয়।
দরিদ্র ও অতি দরিদ্র এই পরিবারগুলোকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে নিতে আল্ট্রা পোর গ্রাজুয়েশন (ইউপিজি) প্রজেক্ট মডেল ব্যবহার করে আগামী ২বছর তাদের সাথে কাজ করতে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন গ্রামের উন্নয়ন কমিটি ও আন্তঃর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। পরিবারগুলোকে ইতিপূর্বে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সহযোগিতায় নির্বাচন করা হয়। প্রতিটি পরিবারের প্রতিনিধি সদস্য ২দিনের গাভীপালন প্রশিক্ষণ শেষে একটি করে বকনা গরু পেয়ে খুবই আনন্দিত ও উৎসাহিত হয়েছে। বকনাগরু বিতরণ অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: তাজুল ইসলাম, পীরগঞ্জ এপি ম্যানেজার মি: ডায়মন্ড জেস্পার ঘাগ্রা,এসিও ফিল্ড টেকনিকেল প্রোগ্রাম স্পেশালিষ্ট- ইন্টিগ্রেটেড লাইভলিহুড- মো: তাহমিদুর রহমান, প্রোগ্রাম অফিসার মো: আমজাদ হোসেন, গ্লো রিয়া রোজারিও, দানিয়েল সরকার, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতিগণ।
এ ছাড়া আরোও উপস্থিত ছিলেন টুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আতাউর রহমান, চতরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: এনামুলহক শাহীন।
বক্তারা উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে, ওয়ার্ল্ড ভিশন দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে পীরগঞ্জে কাজ করে যাচ্ছে এবং আমরা প্রশাসনের দিক থেকে সর্বদাই তাদের এই উন্নয়নমূলক কাজকে সহযোগিতা করছি। আশা করি যারা এই উপকার পাচ্ছে তারা আগামীতে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাবে।বক্তারা আরো বলেন, আজকে আপনারা যে সহযোগিতা ওয়ার্ল্ড ভিশনের কাছে পেলেন তার যথাযথ ব্যবহার করে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়ন করবেন। তারা সুন্দর এই কার্যক্রমের জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশনকে ধন্যবাদ জানান।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ বলেন, ”ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এই এলাকায় নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছে যা সত্যিই অতুলনীয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ জনগনের সেবা করে যাচ্ছে এতে এই এলাকার জনগোষ্ঠি উপকৃত হচ্ছে ও তাদের ভাগ্যোন্নয়নে সহায়ক হিসেবে বিশেষ ভুমিকা রাখছে। এই জন্য আমরা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশকে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই।”
Leave a Reply