মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত পীরগঞ্জে ভিডব্লিউবি কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ বিষয়টি দেখা দরকার

কটিয়াদীতে ডিএনএ পরীক্ষার পর সন্তানের পিতৃ পরিচয় মিলল

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০
  • ৭১৫ বার পঠিত

কটিয়াদী থেকে রনবীর সিংহ।- কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ধর্ষণে এক স্কুল ছাত্রী মা হওয়ার সন্তানের পিতৃপরিচয়ের জন্য ঘুরছিলেন মানুষের দ্বারে দ্বারে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, কিশোরগঞ্জে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে কিশোরীর সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে সুস্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে কিশোরীর জন্ম দেয়া পুত্র সন্তান সাগর মিয়ার ঔরসজাত। সাগর মিয়া উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পাইকশা গ্রামের আরিফ মিয়ার ছেলে। ডিএনএ পরীক্ষায় পিতৃত্ব প্রমাণিত হওয়ার পর এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কিশোরীর জন্ম দেয়া পুত্র সন্তান পাবে তার পিতৃ স্নেহ, ধর্ষিতা পাবে স্বামীর ঘর ? আর অসহায় দরিদ্র পরিবারটি ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য এখন আদালতের রায়ের অপেক্ষায়। জানা গেছে , ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পাইকশা গ্রামের এক দরিদ্র ব্যক্তির ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী কিশোরীকে ঘরে একা পেয়ে একই গ্রামের আরিফ মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া রাতের আঁধারে কৌশলে ঘরে ঢুকে কিশোরীর মুখ চেপে ধরে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। প্রথমে ঘটনাটি চাপা থাকলে চারমাস পর কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে সে বিষয়টি তার মাকে জানায়। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার প্রার্থী হন। কিন্তু ধর্ষক সাগর মিয়ার মা সুরমা আক্তার স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় গ্রাম্য শালিশ অমান্য করেন। শুধু তাই নয় এ ঘটনায় নির্যাতিতা পরিবারকে সহায়তা করার কারণে ধর্ষক সাগর মিয়ার মা সুরমা আক্তার স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেন অপর দিকে তার ছেলে ধর্ষক সাগরকে তড়িঘড়ি করে বিদেশ পাঠিয়ে দেন। এদিকে ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট ধর্ষিতা কিশোরী একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়। বিষয়টি আপস মীমাংসায় না আসায় ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com