বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

ঘাস চাষে ভাগ্য বদল

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৩৪ বার পঠিত

প্রদীপ রায় জিতু, দিনাজপুর প্রতিনিধি।- শামীমা বেগম (৩৮) চার বছর আগের জীবনের সঙ্গে এখন কোনো মিল নেই। ওই সময় তাঁর বসতভিটা ছাড়া কোনো জমি ছিল না। অন্যের জমিতে কামলা খেটে কোনোরকমে সংসার চালাতেন তার স্বামী। একবেলা খাবার জুটলেও আরেক বেলা জুটত না। স্বামী-সন্তানদের নিয়ে প্রায় উপোস থাকতে হতো। আর আজ তিনি সফল ঘাসচাষি। সুন্দর বাড়ি, বিশ শতক জমির মালিক।

বীরগঞ্জের পল্টাপুর ইউনিয়নের কুসুমতৈড় গ্রামের শামীমা বেগমের ভাগ্যের চাকা বদলে গেছে ঘাস চাষে। এখন এলাকার অনেক ঘাসচাষির পথপ্রদর্শক তিনি।

উপজেলার পৌর শহরে থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে পাল্টাপুর ইউনিয়নের কুসুমতৈড় গ্রাম। এই গ্রামে শামীমা বেগমের বাড়ি। গ্রামটিতে ঢুকেই চোখে পড়ে সবুজের সমারোহ। মাঠের পর মাঠ ঘাসের খেত। কেউ ঘাস কাটছেন, কেউ আঁটি বেঁধে অটো ভ্যান করে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। শামীমার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তিনি বাড়ির পাশে লাগানো জমির ঘাস কাটছেন। সাংবাদিক পরিচয় শুনে আইলে উঠে আসেন। এরপর ঘাস চাষের গল্প শোনান।

শামীমার ঘাস চাষের গল্প:
পীরগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মেয়ে শামীমা বেগম। ২০০৫ সালে পাল্টাপুর ইউনিয়নের কুসুমতৈড় গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মঞ্জু আলী (৪৫) শামীমাকে বিয়ে করেন। স্বামী সন্তান নিয়ে শাীমমার ছোট্ট পরিাবার। দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন তার স্বামী। কাজ পেলে খাবার জুটত, না পেলে অনাহারে থাকতে হতো। তাদের এই কষ্ট দেখে বীরগঞ্জ এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সার্বিক সহযোগীতা করে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর থেকে ঘাষ চাষের জন্য পরামর্শ ও সাহায্য প্রদান করেন।

কুসুমতৈড় গ্রামটি দেখতে দেখতে ঘাসের খেত সবুজে ভরে ওঠে। ৫০ দিনের মাথায় ঘাস বিক্রি করে খরচ বাদে পাঁচ হাজার টাকা আয় আসে। স্বামীও ঘাষ চাষে তাঁর সঙ্গে কাজে হাত লাগায় ।

এভাবে একপর্যায়ে শামীমা বেগম হয়ে ওঠেন সফল ঘাসচাষি। শুধু যে ঘাষ চাষ করেন তা না বীরগঞ্জ এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ থেকে গাভি পেয়েছেন। সেই গাভী থেকেও দুধ পায় সেই দুধ বাজার জাত করে এবং পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। ঘাস চাষ করে শামীমা শুধু নিজের ভাগ্যই বদল করেননি। গ্রামের অনেককেই পরামর্শ দিয়ে স্বাবলম্বী করে তুলেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com