বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

ঘোড়াঘাটে আদিবাসী নারী শ্রমিকরা মজুরী বৈষম্যের শিকার

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১
  • ৪৯১ বার পঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।- চলতি মৌসুমে ধান কাটা কাজে পুরুষ শ্রমিকের তীব্র সংকট দেখা দেয়ায় আদিবাসী নারী কৃষি শ্রমিকদের কদর বেড়েছে। তবে কদর বাড়লেও দুর হয়নি মজুরী বৈষম্য। কৃষি ক্ষেত্রে পুরুষদের পাশাপাশি এ সব নারী শ্রমিক সমান কাজ করলেও মজুরী পাচ্ছেন প্রায় অর্ধেক। আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার হিসাব মতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর সভার উড়াও, সাঁওতাল, মুরমু, মালী, মাহালী সহ বিভিন্ন স¤প্রদায়ের প্রায় ৩০ হাজার আদিবাসী বাস করেন। এ সব আদিবাসী পরিবারের ৭ হাজার নারী শ্রমিক কৃষি কাজের সাথে জড়িত। এ এলাকার বসবাসকারী আদিবাসীদের প্রায় হত দরিদ্র। হত দরিদ্রের এসব পরিবারের মুলত বসবাসকারী নারী শ্রমিকরা কৃষি ক্ষেতে কাজ করে পরিবারের সদস্যদের জীবন যাপনের খরচ যোগায়। অন্যের জমিতে শ্রম বিক্রি করতে গিয়ে তারা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। একজন পুরুষ শ্রমিক একদিন ধানকাটা কাজের জন্য ৪৫০ টাকা থেকে ৫’শ টাকা মজুরী পেলেও আদিবাসী নারী শ্রমিককে দেয়া হচ্ছে মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ নারীর প্রতি সকল বৈষম্য বিলুপ্তি ঘোষনা দিলেও নারী শ্রমিকদের মজুরী দেয়ার ক্ষেত্রে এ ঘোষনা মানা হচ্ছে না। পুরুষতান্ত্রীক সমাজ ব্যবস্থার কারনে যুগ যুগ ধরে ন্যায্য মজুরী প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে আদিবাসী নারী শ্রমিকরা। এ ব্যাপারে আদিবাসী নারী শ্রমিক গিতা মুরমু জানান, তারা মাঠে পুরুষের পাশাপাশি সমান ধান কাটা কাজ করেও মজুরী পাচেছন প্রায় অর্ধেক। চুনাপাড়া গ্রামের সবিতা জানান, শুধু মজুরী নয়, নারী বলে একজন শ্রমিকের প্রাপ্য অন্যান্য সুবিধা থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হয়। পুরুষ শ্রমিকদের ৩ বেলা খাবার দিলেও তাদের দেয়া হচ্ছে মাত্র এক বেলা জল খাবার। আদিবাসী উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ইন্দু মোহন মার্ডী জানান, এ অঞ্চলের বসবাসকারী আদিবাসী মুলত নারী শ্রমিকদের রোজগারে পরিবার চলে। নারী শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী না পাওয়ায় অভাব তাদের পিছু ছাড়ে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com