বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

পলাশবাড়ীতে ৫ জন শিক্ষকের স্থলে ১ জন উপস্থিত

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২
  • ২৩০ বার পঠিত
পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) থেকে  ছাদেকুল ইসলাম রুবেল।-গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় ৫ জন শিক্ষক ও ৩৬ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ৫ শ্রেণির দুজন উপস্থিত। ওই বিদ্যালয়ে একই পরিবারের ৪ জন শিক্ষক দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করছেন। পারিবারিক কলহ প্রায়ই বিদ্যালয় পর্যন্ত চলে আসার কারণে পড়ালেখার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পশ্চিম ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৯৭ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান ওই গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে আব্দুল হালিম। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন আব্দুল হালিমের আপন দুই ভাইয়ের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন ও নাসরিন বেগম। বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে সরকারীকরণ হলে আব্দুল হালিমের স্ত্রী রাবেয়া বেগম অন্য একটি বিদ্যালয় থেকে বদলী নিয়ে ২০১৬ সালে পশ্চিম ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। ৮ জুন সোমবার ৩ টা ১০ মিনিটে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় মাত্র ১ জন সহকারী শিক্ষক আকবার আলী সেলিম উপস্থিত বাকী কোন শিক্ষক উপস্থিত নেই। শ্রেণির কক্ষ ৩/৪ শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থী ফাকা ৫ ম শ্রেণীতে ২ জন ছাত্রী উপস্থিত পাওয়া যায়। হাজিরা খাতায় ৫ জন শিক্ষত সহ তিন শ্রেণির মোট ৩৬ জন শিক্ষার্থী হাজিরা দেখা গেলেও বাস্তবে ৫ জন শিক্ষকের স্থলে ১ জন শিক্ষক ও ২ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া যায় । জানতে চাইলে সহকারি শিক্ষক আকবার আলী সেলিম দায় সারা উত্তর দেন।  বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ জন শিক্ষকের উপস্থিতি ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকরা হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই পলাশবাড়ী চলে গেছেন।
প্রধান শিক্ষক হালিমের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি উপজেলায় আছি, আপনার কি জানার দরকার উপজেলায় আসেন।  আপনার স্ত্রীসহ ৩ জন সহকারি শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এ বিষয়ে আমি জানি না। এলাকার অনেকেই জানান, সহকারি শিক্ষকরা প্রায়ই বিদ্যালয়ে এসেই আবার চলে যান। এবং একই পরিবারের শিক্ষক চার জন হওয়া বিদ্যালয়ে মারপিঠ লেগেই থাকে।ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি প্রভাত চন্দ্র বলেন, পারিবারিক কলহ প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার বিঘ্ন ঘটছে। ওই ক্লাস্টারে দায়িত্বরত সহকারি শিক্ষা অফিসার আসাদুজ্জামান দোলন বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে মারামারির বিষয়টি আমিও শুনেছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com