মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ

পার্বতীপুর মধ্যপাড়া পাথর খনিতে শ্রমিকদের অসন্তোষ: সমঝোতা বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের চেষ্টা

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৫২০ বার পঠিত
এম এ আলম বাবলু, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।-দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনির উৎপাদন ঠিকাদার জিটিসি’র নিয়ন্ত্রনাধীন খনি শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই অসন্তোষ নিরসনে আজ সোমবার বিকেলে সমঝোতা বৈঠক হবার কথা রয়েছে৷ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকদের মধ্যে সৃষ্ট সমস্যার  কারণে চারমাস ধরে পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। ফলে খনির ৮০০ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে এবং তাদের বেতনভাতাও বন্ধ রয়েছে। বেকার হয়ে পড়া অসহায়, হতদরিদ্র এসব শ্রমিক অর্থকষ্টে অমানবিক জীবণ যাপন করছেন৷ খনির উৎপাদন ঠিকাদার জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) এর সাথে শ্রমিকদের মতবিরোধের কারনে এ অবস্হার সৃষ্টি হয়েছে। এই জিটিসি ৬ বছরে ১৭১.৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে খনি ভূগর্ভে ১২টি স্টোপ উন্নয়ন করে ৯২ লাখ টন পাথর উত্তোলন করে দেওয়ার চুক্তি করে মধ্যপাড়া খনি কর্তৃপক্ষের সাথে। তারা ২০১৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী পাথর উত্তোলন শুরু করে।

মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনির উৎপাদন, রক্ষনাবেক্ষণ ও পরিচালন ঠিকাদার জিটিসি’র সাথে শুরু থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খনি কর্তৃপক্ষের মতবিরোধ লেগেই আছে। ৬ বছরে ৯২ লাখ টন পাথর উৎপাদন লক্ষমাত্রার বিপরীতে উৎপাদন করেছে মাত্র ৩৮ লাখ টন।  এই ঠিকাদার পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে ড্রিলিং, ব্লাস্টিং, ক্র্যাশিং ও সর্টিং করার সময় ৭-৮ শতাংশ ০-৫ (শুন্য থেকে ৫ মিলিমিটার) মিলিমিটার আকারের ডাস্ট স্থলে ১৩-১৪ শতাংশ ডাস্ট বাহির করে। করোনাকালের আগে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার টন পাথর উত্তোলন করা হয়। এই পরিমাণ পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে ৬৫০-৭০০ টন ডাস্ট বাহির হয়। অথচ ৭-৮ শতাংশ হলে ডাস্ট বাহির হতো ৩০০-৪০০ টন। প্রতিটন ডাস্ট বিক্রিমুল্য ১০.০ ডালার আর প্রতিটন পাথরের গড় বিক্রি মুল্য ৩১.৪০ ডলার। এতে করে খনির বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়। স্পেয়ার পার্স খাতে ৬ বছরের জন্য বরাদ্দ ১২ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু জিটিসি নানা তালবাহানা করে ১৯ মাসে সাড়ে ১১ মিলিয়ন ডলারের বেশী খরচ করে ফেলে এবং পরে অতিরিক্ত ১৫ মিলিয়ন ডলার দাবি করে। খনির শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ না দিয়ে এ খাতের বরাদ্দ অর্থও দাবি করে বলে জানা যায়৷
মধ্যপাড়া পাথর খনির শ্রমিকদের সমস্যা নিরসনে আজ সোমবার বিকেলে সমঝোতা বৈঠক হবার কথা রয়েছে বলে একটি নির্ভরশীল সূত্র থেকে জানা গেছে৷

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com