মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ

পীরগঞ্জের শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চালচিত্র-১০

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৫ বার পঠিত

পীরগঞ্জের শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চালচিত্র-১০
কলেজটি এখন ভূতের বাড়ি

বজ্রকথা প্রতিবেদক সুলতান আহমেদ সোনা।-রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় ১৮টি কলেজ আছে। এই কলেজগুলোর মধ্যে একটি কলেজের নাম “মহীয়সী বেগম রোকেয়া কলেজ”। কলেজটি ১৯৯৯ সালে উপজেলার ৩নং বড়দরগাহ ইউনিয়নের গুর্জিপাড়াহাট সংলগ্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
এই কলেজ প্রতিষ্ঠায় যিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন তার নাম মোঃ হাবিবুর রহমান বকুল। তিনি শতভাগ মহিলা দিয়ে পরিচালনা করতে চেয়েছিলেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। সেই কারণে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি বানিয়েছিলেন তার স্ত্রী মেশকোয়ারা বেগমকে। অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে পিয়ন আয়া সবাই ছিল মহিলা কিন্তু নানা ফেরে এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে বিবাদে জাড়িয়ে পড়ায় প্রতিষ্ঠানটি মরুদন্ড সোজা করতে পারিনি মাথা তুলে দাড়াতেও ব্যর্থ হয়েছে।
এই প্রতিষ্ঠানের জন্য জমি দান করেছিলেন ৩ জন। স্থানীয় মজিবর রহমান ও তার স্ত্রী আফলাতুন নেছা , তারা দু’জন মিলে জমি দিয়েছিলেন ৫৫ শতাংশ এবং জনৈক আতোয়ার রহমান দিয়েছেন ৪৪ শতাংশ জমি।
গত ২৬ আগস্ট/২৫খ্রি: মঙ্গলবার গিয়েছিলাম কলেজটির বর্তমান পরিস্থিতি দেখতে, গিয়ে হতাশ হয়েছি। কারণ শুরুতে ঠমক থাকলেও এখন যেন কলেজটি ভূতরে বাড়ি। কলেজ মাঠে নেই শিক্ষার্থীর কোলাহল। সুনসান নিরবতা,মরিচার কারণে টিনের চালা হয়েছে লাল বর্ণ। চালের টিন ভেঙ্গে পড়ছে। অফিস ঘরটি অবশ্য পাকা কিন্তু কেউ নেই সেখানে, অফিস ঘরের দরোজায় ঝুলছে তালা।

সেদিন প্রচন্ড রোদ ছিল, তাই বারান্দায় দাড়িয়ে একটু শান্তি খুঁজছিলাম ! এমন সময় পাশের বাড়ী থেকে দুলালী বেগম নামে একজন গৃহবধু এগিয়ে এসে পরিচয় জানতে চাইলেন,পরিচয় দিলাম।পরে তার পরিচয় জানতে চাইলাম; দুলালী বেগম(৪৫) স্বামী সামছুল হক জানালেন, তিনি কলেজটির ঝাড়ুদার পোস্টে আছেন। পরে মোছাঃ লাইলী বেগম (৪৫) নামে আরো একজন মহিলা এগিয়ে এসে পরিচয় দিলেন তিনি ওই কলেজেন দপ্তরী। খানিক পরে এলেন,তাজুল ইসলাম (৫১) । কথা হলো, তিনি লাইলী বেগমের স্বামী। জমিদাতার ছেলে ।তারপর ম্যালা কথা!
শেষ কথা হচ্ছে তারা “মহীয়সী বেগম রোকেয়া কলেজ” এর এই পরিণতিতে হতাশ হলেও এখনো প্রত্যাশ করেন কলেজটিকে এমপিও ভুক্ত হবে।তাতে তাদের ভাগ্যে কিছু জুটুক বা না জুটুক প্রতিষ্ঠানটি হলে কিছু মানুষের রিজিক রুজির ব্যবস্থা তো হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com