বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

পীরগঞ্জে সোনালী আঁশ পাটের আবাদ বাড়ছে

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ২৯২ বার পঠিত

বজ্রকথা প্রতিবেদক।- বাংলাদেশের পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়। এক সময় পাট রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হতো বলে পাট ছিল স্বর্ণের মত দামী কৃষিজাত পণ্য। পাটের সে সোনালি অতীত কেবলই ইতিহাস! আজ প্রাকৃতিক আঁশ পাটের জায়গা দখল করেছে প্লাষ্টিক, পলিথিন! সময়ের বিবর্তনে পাটের কদর কমেছে সারা বিশ্বে।

কয়েক বছর আগে পাটের দাম তেমন একটা না পাওয়ায় পীরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরাও পাট চাষে মনযোগ দেয়নি। তবে খুশির খবর হচ্ছে, সম্প্রতিক সময়ে পাটের সুদিন ফেরাতে সরকারের সুনীতির কারনে বাংলাদেশে পাটের চাষ যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি দিন দিন পাটের আবাদও বাড়ছে। এদিকে সুদিন ফেরার স্বপ্নে বিভোর পীরগঞ্জ উপজেলার পাটচাষিরা।
পাট অফিস সুত্রে জানা গেছে গত বছরের চেয়ে চলিত বছর পাটের আবাদ বেশি হয়েছে এই উপজেলায়। এ বিষয়ে উপজেলা পাট কর্মকর্তা চায়না খাতুন বলেন, সোনালী আঁশ পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ ফিরে আনতে গত বছর দুই হাজার জন কৃষকের মাঝে সার বীজ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর কৃষকের আগ্রহ এবং উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ২ হাজার ৯শত কৃষকের মাঝে সার বীজ প্রদান করা হয়। তিনি আরও জানান, চলিত মৌসুমে পাটের ভালো ফলন হওয়ায় লাভবান হয়েছেন কৃষকরা। গত বছরের চেয়ে এ বছর পাটের দামও ভাল। বর্তমানে প্রতি মন পাট ২হাজার ৫শত থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি করছে চাষীরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে প্রায় ২ হাজার ৩শত হেক্টর জমিতে তোষা এবং দেশী পাট চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২২ হাজার ৮শত মেট্রিক টন। পাটের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে ।
উপজেলার ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের পাট চাষী আব্দুল খালেক জানান, গত বছরে প্রতিমন পাট বিক্রি হয়েছে,২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা। প্রতি বিঘায় ফলন হয়েছে ৮ থেকে ১১ মণ।
টুকুরিয়া ইউনিয়নের চাষী রহিম উদ্দিন বলেন, পাট চাষের শুরুতে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট বড় হতে দেরি হয়েছে। পরে বৃষ্টি হওয়াতে শুধু পাট গাছ বড় হয়েছে। আঁশ তেমন মোটা না হওয়ায় ফলন একটু কম হয়েছে। তবে দাম ভালো পাওয়ায় লাভ হয়েছে। এরকম বাজার থাকলে আগামীতে আরও পাট চাষ করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com