বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

বগুড়ায় বাঙালি নদীর অব্যাহত ভাঙনের কবলে ৩৫টি গ্রাম

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৯৬ বার পঠিত

উত্তম সরকার, বগুড়া থেকে।- সীমান্তবর্তী বগুড়ার-শেরপুর-ধুনট উপজেলার ভেদ করা বাঙালি নদীর পানি বর্ষা মৌসুমে কানায় কানায় ভরা থাকে। অনেকাংশে নদীর পাড়ও ডুবে যায়। তবে নদীতে পানি আসার ও কমার সময়ে নদী ভাঙন শুরু হয় বেশী। এখন এ নদীর পানি কমছে, কিন্তু ভাঙছে নদীর পাড় ও তীরবর্তী বসতবাড়ি, ফসলি জমি। বাঙালী নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে এ দু উপজেলার প্রায় ৩৫টি গ্রাম নিশ্চিহ্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে নানা শংকায় রয়েছে নদীর পাড়ে বসবাসরত হাজারো মানুষ। তবে এ ভাঙন রোধে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড। তাছাড়া পানি উন্নয়নের বোর্ডের নদী ভাঙন রোধে উদাসীনতায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নদী পাড়ের মানুষেরা।

জানা গেছে, বগুড়া জেলার শেরপুর-ধুনট উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা উত্তর-পশ্চিম পাশ দিয়ে স্রোতসিনী বাঙালি নদী। ধুনট উপজেলার উত্তরের সাতবেকি গ্রাম থেকে দক্ষিনে সীমাবাড়ী(মধ্যভাগ) গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৫৫ কিলোমিটার নদীপথ। নদীর দুই পাশে তীরবর্তী ৩৫টি গ্রাম। এগুলো হলো, সাতবেকি, পিরাপাট, ডেকরাঘাট, ধামাচামা, জয়শিং, নান্দিয়ারপাড়া, বেড়েরবাড়ী, নাংলু, ফরিদপুর, নিমগাছি, বিলচাপড়ি, হেউডনগর, হাসাপোটল, রামনগর, রাঙ্গামাটি, বিলনোথাড়, ঝাঁঝর, শৈলমারী, নলডেঙ্গী, বরইতলী, নবীনগর, বথুয়াবাড়ী, বিলকাজুলী, চকধলী, শাকদহ, পেচিবাড়ী, চক কল্যানী, বিনোদপুর, জোরগাছা, জয়লা, সুত্রাপুর, সুঘাট, আওলাকান্দি, নলুয়া, মধ্যভাগ(চান্দাইকোন)গ্রাম।

এ দু’ উপজেলার ৩৫টি গ্রামে কমপক্ষে ২২ বছর ধরে বাঙালি নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে বর্তমানে জয়শিং, নিমগাছি, পেচিবাড়ি, রামনগর, ফরিদপুর, ঝাঝর(হিন্দুপাড়া), বিনোদপুর গ্রামে নদী ভাঙ্গন ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। ইতিপূর্বে নদী ভাঙ্গনে এসব গ্রামের প্রায় ২শতাধিক পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অব্যাহত নদী ভাঙনে অনেকটাই বদলে যাচ্ছে নদীপাড়ের এলাকার মানচিত্র, পাল্টে যাচ্ছে জীবনযাত্রা।
বর্তমানে বাঙালি নদীর পানি কমতে থাকায় ও পানিতে ঘূর্নায়নের সৃষ্টি হয়ে ভাঙন আগ্রাসী রুপ ধারন করে প্রবল স্রোত । আর এ স্রোত ধেয়ে আসছে বসতভিটা ও আবাদি জমির দিকে। এর ফলে নদী গ্রাস করছে নতুন নতুন এলাকা, বিলীন হচ্ছে জনপদ, কমে আসছে আবাদী জমি, পাল্টে যাচ্ছে নদীপাড়ের সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকার ধরন।
এ প্রসঙ্গে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী আসাদুল হক বলেন, বাঙালী নদীর ভাঙনরোধে টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। ভরা মৌসুম কিছু কমলেই ভাঙন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com