মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত পীরগঞ্জে ভিডব্লিউবি কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ বিষয়টি দেখা দরকার

বন্যার চেয়ে আফাল নিয়ে বেশি শংকিত কিশোরগঞ্জের হাওরবাসী

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০
  • ৮১৮ বার পঠিত

সুবল চন্দ্র দাস কিশোরগঞ্জ থেকে।- কিশোরগঞ্জে এবার বর্ষার শুরুতেই সবক’টি নদ নদী ও হাওরের পানি বেড়ে যাওয়ায় উজানের চারটি উপজেলাসহ পুরো হাওর এখন পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও বানের পানিতে ভাসছে। বানের কারণে কয়েক দিন ধরে হাওরে আকস্মিক নদ-নদীর পানি বেড়ে গেছে। ফলে পুরো এলাকা এখন পানিতে টই টম্বুর ইতোমধ্যে হাওরের মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, ইটনা ও নিকলীতে বেশকিছু গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কিন্তু হাওরের মানুষ এই পানিকে ভয় পাচ্ছে না। কারণ, প্রতিবছর পানির সঙ্গে যুদ্ধ আর সখ্য গড়ে তুলেই বেঁচে থাকতে হয় তাদের। কিন্তু এবার তাদের ভয়ের কারণ আফাল (বাতাসের ঢেউ)। কারণ বাতাসের কারণে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ে। জেলার ইটনা উপজেলার শিমুলবাগ গ্রামের এবাদ মিয়া ও হযরত আলী এবং মিঠামইন উপজেলার হাতকুবলা গ্রামের হোসেন আলী ও ধন মিয়া জানান, টানা বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে হাওর ভাসছে। বাতাস শুরু হলে ভাঙন শুরু হবে। ভাঙনের ভয়ে তারা আতঙ্কিত। কারণ, ইতোমধ্যে হাওরের ঢেউ ও বাতাসের তীব্রতা অন্য বছরের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়, জেলার ত্রাণ অফিস ও অন্যান্য সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা, নিকলী, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম সহ তাড়াইল, করিমগঞ্জ, কুলিয়ারচর ও বাজিতপুরে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হাওরে বাতাস শুরু হলে ভাঙন পরিস্থিতি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে। গত কয়েক দিনে হাওরে সামান্য বাতাসে বেশকিছু বাড়িঘর ও জিনিসপত্রের ক্ষতি হয়েছে। ইটনা উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান জানান, হাওরবাসী বাতাস ও ঢেউয়ের আঘাতকে (স্থানীয় ভাষায় আফাল) ভয় করছেন। আফাল শুরু হলে তাদের রক্ষা নেই, এ ভয়ে তারা শঙ্কিত। মিঠামইন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আছিয়া আলম জানান, মিঠামইন উপজেলা সদরের জেলে পাড়াসহ কয়েকটি গ্রাম প্রতিদিনই ভাঙছে। বাড়িঘর, বসতভিটা রক্ষা করার জন্য সাইল্যা ঘাস, কচুরিপানা, বাঁশ, বেত ইত্যাদি দিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে হাওরবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com