বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

বাজারে আগুন সাধারন মানুষ অসহায়

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৭৯ বার পঠিত

রাভী আহমেদ।- আশ্বিনের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন ধানের ক্ষেত। শাক সবজি তরিতরকারীর ভিটা ডুবেছে বানের জলে। তার প্রভাব পড়েছে হাটে-বাজারে। ইতোমধ্যে বাজারে চাউলের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে তরিতরকারী পিঁয়াজ,মারিচ,আদা,রসুনের কমতি না থাকলেও দাম বেড়ে গেছে কয়েকগুন। চাউলসহ নিত্য পন্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষ,গরিব মানুষ,সাধারন মানুষ বিপদে পড়েছে। চাউল তরিতরকারীর দাম এমন সময় বৃদ্ধি পেয়েছে, যখন শ্রমিক শ্রেণির হাতে তেমন কাজ নেই। রিকসা -ভ্যান চালকদের রোজগার কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ বাকহীন হয়ে গেছে। তারা কোন ভাবেই চাহিদার ও আয়ের সাথে ব্যয়ের মিল করতে পারছে না।
রাজধানীসহ সিটিশহরে বসবাসকারী ভোক্তাসাধারণ পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসীম খাচ্ছে। উপজেলা শহরের অবস্থাও সহনীয় নয়। রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় ঢাকার বাজার দরের সাথে খানিকটা মিল রেখে দাম আদায় করছে এখানকার ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা চুক্তির যুক্তিতে নিজেদের খেয়াল খুশি মত দাম আদায় করছে। এখানকার কাঁচাবাজারে গ্রাহকের চেহারা দেখে পণ্যের দাম হাকা হচ্ছে। একই বাজারে কারো কাছে বেগুন ৬০ টাকা কেজি, কারো কাছে ৭০, আবারে কারো কাছে ৮০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। একই অবস্থা পিঁয়াজ, মরিচ আদা, রসুনের বেলাতেও।
পীরগঞ্জ পৌরবাজার ঘুরে দেখা গেছে এখানে চাউল(গুটি স্বর্ণা) কেজি চরছে ৩৮ টাকা, মিনিকেট ৪৫ টাকা, কাটারিভোগ ৫০ টাকা, পোলাও এর চাল ৭৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রী হচ্ছে। কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি, সুট মরিচ ২৫০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি, আঁদা ১৮০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা কেজি। সীম কেজি চলছে ২০০ টাকা, টমাটো ১২০ টাকা, ঢেঁরস ৮০ টাকা, শশা ৭০টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, ফুলকপি ১২০ টাকা, শাক এক আটি ১০ টাকা, আলু ৪৫/৫০ টাকা কেজি , বেগুন ৬০ টাকা, পটল ৬০টাকা, করলা ১২০ টাকা, কচু ৩০ টাকা, ওল ৬০ টাকা, মিষ্টিকমড়া কেজি ৬০ টাকা, একটি লাউ ৫০ টাকা, কাঁচকলা হালি ২০ টাকা ,লেবু হালা ৩০ টাকা চলছে। মুসুর ডাল কেজি দেশি ১২০ টাকা, আমদানী ৭০ টাকা, মাস কলাই ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৫০ টাকা কেজি। সয়াবিন তেল প্রতিকেজি খোলা ৯০ টাকা, বোতলজাত ১১০ টাকা, সরিষার তেল খোলা ১২০ টাকা কেজি, বোতলজাত ১৬০ টাকা । এদিকে মাংসের বাজারে কিছুটা দাম কমে ব্রয়লার বিক্রী হচ্ছে ১১৫ টাকা কেজিতে, সোনালী ১৮০ টাকা। খাসির মাংস ৬০০ টাকা আর গরুর গোস্ত ৪৫০ টাকা কেজি চলছে। ডিম প্রতি হালা (লাল) ৩৫-৩৮ টাকা, দেশি মুরগীর ডিম হালা ৭০ টাকা আর হাঁসের ডিম হালা ৪৫ টাকা । রুই জাতীয় মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি । বাজারে জিনিস পত্রের এই মুল্য অস্বাভাবিক ! মানতে কষ্ট হচ্ছে। কিছুই যেন করার নেই। মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে কাঁচা বাজারেও।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com