বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

রংপুরে তীব্র শীতে বেড়েছে গরম কাপড়ের কদর

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৯৫ বার পঠিত

রংপুর থেকে সোহেল রশিদ।-রংপুর মহানগরীসহ এ অঞ্চলে আট জেলায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে গত সপ্তাহখানেক ধরে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবি ও খেটে খাওয়া মানুষজন। তারা শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় পড়ছেন। একই সাথে শীতের কারণে রংপুর নগরীসহ জেলা ও উপজেলা শহরগুলোতে ফুটপাতে বেশ জমে উঠেছে পুরনো গরম কাপড়ের বিক্রি। অভিজাত কাপড়েরর দোকানগুলোতেও ভিড় বাড়ছে ক্রেতাদের। এতে যেমন গরম কাপড়ের চাহিদা বেড়েছে, ঠিক তেমনি দোকানগুলোতে বিক্রি বেড়ে গেছে। তবে এই অঞ্চলে দত-দরিদ্র, শ্রমজীবি ও খেটে খাওয়া মানুষজনসহ চরাঞ্চলের বাসিন্দারা সরকারি-বেসরকারি সাহায্য সহযোগিতা চেয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, ব্লেজার, শাল, মাফলার, কানটুপি ও হাত মোজার কদর প্রতিদিনই বাড়ছে।
রংপুর নগরীর ছালেক মার্কেট, জামাল মার্কেট ও হনুমানতলা এরশাদ হর্কাস মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণী বিতানে গিয়ে দেখা গেছে, সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, ব্লেজার, শাল, মাফলার বেশি বিক্রি হচ্ছে। সাথে কানটুপি, হাত ও পা হাত মোজারও চাহিদা অনেক। ঠাণ্ডা থেকে সুরক্ষার জন্য গরম কাপড়ের পাশাপাশি হাত ওকান টুপির বিকল্প নেই। এছাড়াও মাঙ্কি টুপি, মাফলার টুপি, ক্যাপের মতো টুপি, ঝোলা টুপিসহ বিভিন্ন ধরনের টুপি বিক্রি হচ্ছে। ওলের তৈরি বিভিন্ন রঙ এবং সাইজের টুপিও বিক্রি হচ্ছে। অনেকে আবার পোশাকের সাথে মিল রেখে লাল, সাদা, সবুজ, কালো, খয়েরি ও নীল রঙের টুপি কিনছেন। ২০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত একটি টুপি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও চার থেকে এক হাজার টাকায় সোয়েটার ও জ্যাকেট বিক্রি হচ্ছে। ছাদরেরও চাহিদা রয়েছে যতেষ্ট।
এদিকে নগরীর স্টেশন বাজার, সাতমাথা ও কাচারী বাজার এলাকায় বিভিন্ন ফুটপাতে পুরাতন কাপড়ের দোকানেও ভিড় বেড়েছে। এসব বিক্রেতারা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর থেকেই পুরাতন কাপড়ের বান্ডিল বা বস্তা ক্রয় করে রংপুর নগরীসহ এ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় এসব গরমের কাপড় বিক্রি করেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। পুরাতন কাপড়ের দাম কম, তাই নিম্ন আয়ের মানুষ কম দামে কাপড় কিনছেন।
শ্রমজীবি আশরাফুল আলম বলেন, পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে এসেছি, এই ঠাণ্ডায় তেমনটা কাজ করতে পারছিনা তাই কম দামে একটি জ্যাকেট কিনলাম।
নগরীর স্টেশন এলাকার পুরাতন কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, গত কয়েকদিন থেকে এই এলাকায় কনকনে শীত নেমেছে। গরম কাপড়ও বিক্রি হচ্ছে বেশ।
টুপি ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে রংপুরে অনলাইন টুপির চাহিদা বেশি। আগে এই টুপি দেড়শ টাকায় বিক্রি হলেও এখন দুই থেকে আড়াই’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ফ্যাশনেবল টুপি ৫ থেকে ৬’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান জানান, শীত মোকাবিলায় সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে জেলা প্রশাসনের। এরইমধ্যে নগরীর ৩৩ ওয়ার্ডসহ জেলার আট উপজেলা ও তিন পৌর এলাকায় সরকারিভাবে প্রথম পর্যায়ের ৪৬ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ও দ্বিতীয় পর্যায় ১৩ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শীত মোকাবিলায় আরো ২৫ হাজার পিস কম্বলের চাহিদা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com