বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

শীত-কুয়াশার কৃষিকাজে প্রভাব পড়ছে 

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৩৭ বার পঠিত
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল।-দিনের একটা বড় সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। এমন বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব পড়ছে জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি কাজে। কৃষিবিদ ফাতেমা কাউসার মিশু বলছেন কুয়াশার কারণে সরিষা,বোরোর বীজতলা আলু, মুসুরসহ নানা জাতের রবি ফসলে অনিষ্টকারী পোকার আক্রমণ বাড়ে। সেক্ষেত্রে সুপারিশ মতো কীটনাশক ও ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করতে হবে।যখন টানা পাঁচ দিন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকে, তখন গাছপালা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে না, পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত কুয়াশায় আলু ও সরিষা লেটব্লাইট রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে বৃষ্টিতে বোরো ধান ও পেঁয়াজের উপকার হবে।
কৃষকেরা জানান, তীব্র শীত কুয়াশায় মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। শ্রমিকরা কাজে যেতে রাজি হচ্ছেন না। বিশেষ করে বীজতলা থেকে বোরোর চারা সংগ্রহ ও রোপণ অত্যন্ত কঠিন কাজ। কাদা পানি, কুয়াশা ও উত্তুরে হিমেল হাওয়ায় জনজীবন থমকে গেছে। এই শীতে মাঠে কাজ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
 প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা ঠান্ডা আবহাওয়া। উপজেলার বোরো ধান, বীজতলা, ডাল-তেলজাতীয় রবিশস্য, পেয়াজ বীজ, গম, শীতকালীন সবজি ও আলু চাষের ক্ষতি করছে। কুয়াশাচ্ছন্ন অবস্থার মধ্যে কীটপতঙ্গের আক্রমণ ফসলের ক্ষতি করবে বলে আশঙ্কা তাদের।
পলাশবাড়ী উপজেলা  শ্যামপুর গ্রামের কৃষক বকুসহ কয়েকজন কৃষক জানান, ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের চারাগুলো হলদে হয়ে গেছে এবং বোরো ধানের বীজতলার প্রায় অর্ধেক ইতোমধ্যেই নষ্ট হয়ে গেছে। আবহাওয়া আরও কয়েকদিন এভাবে থাকলে পুরো বীজতলাই নষ্ট হয়ে যাবে। বীজতলা নষ্ট হয়ে গেলে সঠিক সময়ে বোরো ধান রোপণ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তারা।
সদরের নুরপুর গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম জানান, শীত-কুয়াশায় কৃষি শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঠান্ডায় কেউ কাজ করতে রাজি হচ্ছেন না। বাড়তি টাকা দিয়েও কাজে আনা যাচ্ছে না। এতে সঠিক সময়ে বোরো ধানের আবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।
চলতি মৌসুমে উপজেলায় হাইব্রিড এস এল ৮ এইচ, অ্যারাইজ তেজ, সিনজেনটা ১২০১, অ্যাগ্রো ১২ এরং উফসি ব্রী ৫০, ৫৮, ৬৩, ৮১, ৮৪ ও ৮৮ জাতের ধান চাষ হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের সাথে আলোচনাসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।পৌর শহড়ের জামালপুর গ্রামের কৃষক গোপাল শীল, মনোজিত বিশ্বাস, আতিয়ার মোল্যা বলেন, আগাম জাতের সরিষা মাঠ থেকে ঘরে তোলা শেষ। চিন্তা এখন ডাল জাতীয় ফসল নিয়ে। মসুর গাছে এখন ফুল আসছে। এসময় শীত-কুয়াশা দীর্ঘ হলে উৎপাদন কমে যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com