বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

সাঘাটায় বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করল পুলিশ 

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২
  • ২১২ বার পঠিত
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল।- গাইবান্ধার সাঘাটা থানা পুলিশের বিশেষ উদ্যোগে পথ ভুলে সাঘাটা উপজেলার  চিনির পটল গ্রামে আসা রহিমা নামের  বাক প্রতিবন্ধী নারীকে আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে ভোটার আইডি কার্ডের মাধ্যমে নাম পরিচয় নিশ্চিত হয়ে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করলেন থানা অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান।
জানা যায়, নাম তার রহিমা বেগম, সে একজন বাকপ্রতিবন্ধী বাড়ি গাজীপুর জেলার  আতলোরা  গ্রামে রোস্তম আলীর মেয়ে। গত ২১ মে রহিমা বাড়ির কাউকে না জানিয়ে পাবনায় বোনের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন। ভুলক্রমে গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে নেমে পড়েন।
পরে ভ্যান গাড়িতে চড়ে সাঘাটায় চিনির পটল গ্রামে ছাত্তারের মুদির দোকানের সামনে বসে কাঁদতে থাকেন।  এসময় স্থানীয়রা ওই নারীকে দেখে সন্দেহ পোষণ করেন কেউ বলেন গোয়েন্দা কেউবা ছেলে ধরা কৌতূহলের যেন শেষ নেই। অবশেষে দোকান মালিকের স্ত্রী ছামছুন্নাহার
 প্রতিবন্ধীকে আশ্রয় দেন। প্রতিবেশীদের নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের পরামর্শে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয় এবং সাঘাটা থানা পুলিশকে খবর দিলে সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান প্রতিবন্ধি নারীকে তার নিজ বাড়িতে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে ভোটার আইডি কার্ডের মাধ্যমে নাম পরিচয় নিশ্চিত হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দিলে।  গত ৮ জুন  রহিমার পরিবারের বড় ভাই আব্দুস সামাদ, বড় বোন রেহেনা, ভাগ্নি আকলিমা ও ভাগিনা শহিদুল ইসলাম সাঘাটা থানায় আসলে  ওসি নিজ দায়িত্বে তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা  করে দেন। সেই সাথে ৯ জুন দুপুরে রহিমাকে তাদের কাছে বুঝিয়ে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান,  সাঘাটা থানা  সেকেন্ড অফিসার জোবায়দুর রহমান,এএসআই আসলাম, সাঘাটা প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক আবু তাহের, সাঘাটা প্রেস ক্লাবের সহ সভাপতি ও এশিয়ান টিভি সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি নুর হোসেন রেইন, সাংবাদিক মশিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
হারানো বোনকে পেয়ে রেহেনা আশ্রয়দাতা ছামছুন্নাহার  বেগম  সাংবাদিক,  অফিসার ইনচার্জ  কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, আঙ্গুলের ছাপের মাধ্যমে ঠিকানা বের না করলে আমার বোন ঠিকানা বলতে পারতোনা। আর আমরাও আমার বোনকে কখনোই খুঁজে পেতাম না।
অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। আর সেই চিন্তা থেকেই রহিমার পরিবারকে খুঁজে বের করা আমার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। রহিমাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত।
এসময় তিনি রহিমার হাতে একটি থ্রি পিছ জামা  তুলে দেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের আইজিপি মহোদয় একজন মানবিক গুণাবলীর মানুষ। রংপুর বিভাগের ডিআইজি মহোদয় ও গাইবান্ধা জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার তিনিও সব সময় মানবিক কাজ করে থাকেন। তিনি আমাদেরকে মানবিক কাজ করতে সব সময় উদ্বুদ্ধ করেন। সাঘাটা থানার অফিসার  ইনচার্জ মতিউর রহমানের  এই মানবিক গুণাবলিকে সুশীল সমাজ প্রশংসা করে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com