বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

পলাশবাড়ীর স্কুলে ১ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৫ জন শিক্ষক

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ২২৯ বার পঠিত
ছাদেকুল ইসলাম।- গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ১ নং কিশোরগাড়ীর বাড়াইপাড়া ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের বিপরীতে ১ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত পাওয়া যায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভা আওতায় বাড়াইপাড়া ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে একাধিক সংবাদকর্মী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ৫ জন শিক্ষক-কে উপস্থিত পাওয়া যায়। তবে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি মিলে শুধুমাত্র ১ জন শিক্ষার্থীকে উপস্থিত পাওয়া যায়। হাজিরা খাতা অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণিতে ৪ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৬ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থী উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম জানান, করোনার কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় সব শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছে। ওরা মাদ্রাসা ছুটি হলে বিকেলে স্কুলে আসে। আর শিক্ষার্থী না আসলে আমরা কি করব?
অপরদিকে উপজেলা কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের তেকানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়মের কারণে বিদ্যালয়টির তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে। ২ এপ্রিল শনিবার বেলা ১২ টার সময় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শুধু অফিস রুমে প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামকে বসে থাকতে দেখা যায়। তিনি জানান, বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৪টি পদই শূন্য রয়েছে। আমি একাই কর্মরত আছি। বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী এলাকার একাধিক অভিভাবকের সাথে কথা বললে তারা জানান, এই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া হয়না বিধায় আমাদের ছেলে-মেয়েদের অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দিয়েছি। কারণ প্রধান শিক্ষক এই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই ১১টার সময় বিদ্যালয়ে আসে এবং দুপুর ১টার সময় বিদ্যালয় থেকে চলে যান। এই কারণেই আমাদের এলাকার ছেলে-মেয়েদেরকে অন্য স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছি। তবে স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com