বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

বন বিভাগের অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে লক্ষ টাকার সরকারি গাছের গুল

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৯৮ বার পঠিত

উত্তম সরকার, বগুড়া প্রতিনিধি।- বগুড়ার শেরপুর বনবিভাগের অবহেলা অযতেœ, অনিচ্ছার অভাবে বৃষ্টিতে পঁচে পোকা মাকড় খেয়ে নষ্ট হচ্ছে বন বিভাগের চত্বরে রাখা কয়েক লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের গাছের গুল। এ সকল গাছের গুলগুলো অন্তত ২ বছর আগের ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভেঙে পড়া গাছের গুল। পরে বন বিভাগ সংরক্ষণের জন্য সংগ্রহ করে। সেগুলো টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করার কথা থাকলেও কোন গুরুত্ব না দেওয়ায় এমন হচ্ছে বলে মনে করেন অনেকেই। এতে করে লক্ষ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

সরেজমিনে ফরেষ্ট অফিসে গিয়ে দেখা যায়, খোলা আকাশের নিচে গাছের গুলের ৮টি লট পড়ে আছে। সেগুলোর উপর দিয়ে কোন প্রকার টিনের সেডও নেই। লতাপাতায় ছেয়ে আছে সংরক্ষণ করে রাখা লট বা গুলগুলো। এসবের অনেক ডুম বৃষ্টির পানিতে পঁচে গেছে। ডুমগুলোর সাথে লাল রঙে লেখা নম্বর রয়েছে। ভেঙে পড়া এসকল গাছের গুল ছিল উপজেলা বন বিভাগের বনায়ন করা। ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছ পড়ে ছিল সেই গাছগুলো গুল আকারে বন বিভাগ সংরক্ষণ করে। এসকল গাছ যেন নষ্ট না হয় এজন্য টিনসেড করার কথা থাকলেও সেগুলা খোলা আকাশের নিচে।

বন বিভাগে কর্মরত নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন জানান, বড় স্যার এখানে থাকেন না। তাই তেমন গুরুত্বও নেই। গাছের গুলগুলো বিক্রয়ের কথা বলেছি। স্যার বলছে সরকারি গাছের গুল যা হয় হোক।
এনিয়ে উপজেলার বন বিভাগে কর্মরত গার্ড মকবুল হোসেন জানান, মেহগনি, আকাশমনি, ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন জাতের গাছের ডুম রয়েছে এখানে। কেটে রাখা গাছের সংখ্যা কত তা তার জানা নেই। বাগানমালী শাহজাহান বলেন, গাছের গুল এক বছর থেকে তিন বছর আগের কাটা। উপজেলার বিভিন্ন সড়কে এসব গাছ বনায়ন করা হয়েছিল। ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছগুলোর বয়স অন্তত ১২-১৫ বছর হবে।
খানপুর ইউনিয়নের ভাটরা এলাকা থেকে গাছের চারা কিনতে আসা রাসেল ও আসলাম জানায়, আমরা এখান থেকে বিভিন্ন চারা ক্রয় করে নিয়ে যাই। বনবিভাগের সংরক্ষতি চত্বরে গাছের গুল গুলো পঁচে নষ্ট হচ্ছে সেই খোঁজ কেউ রাখেনা।
স্থানীয় ‘ছ’ মিল মালিক ফারুক জানান, বনবিভাগের মধ্যে অনেক মূল্যবান গাছের ডুম পঁচে গেছে। যা জ্বালানি খড়ি ও ছাড়া আর কিছুই হবে না। এগুলোর মূল্য এখন অর্ধেকও হবে কি-না সন্দেহ আছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত শেরপুর ফরেষ্টার সামছুল আলমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে বক্তব্য দিতে অপারকতা প্রকাশ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com