ছাদেকুল ইসলাম রুবেল।-মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) ও মা হযরত আয়েশা (রা) কে কটূক্তির প্রতিবাদে গাইবান্ধায় ১০ জুন শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ইমাম ওলামা পরিষদের ব্যানারে বড় মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ মিছিলটি ভারতীয় পণ্য বয়কট, বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মার শাস্তিসহ নানা শ্লোগান দিয়ে জেলা শহর প্রদক্ষিণ শেষে শহরের কাচারী বাজার মসজিদ এ ফিরে সমাবেশ করে। ওই সমাবেশ শুরুর পর সেখান থেকে হঠাৎ করেই কিছু তরুণ লাঠিসোটা নিয়ে শহীদ মিনার চত্বরে পূর্ব নির্ধারিত গাইবান্ধা পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনস্থলে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এ ঘটনায় ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় জুম্মার নামাজের কারণে সম্মেলনস্থলে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা ছিলেন না। সাজানো গোছানো ফাঁকা সম্মেলনস্থলে হামলাকারীরা এলোপাথারি ইঁটপাটকেল নিক্ষেপ মঞ্চ ও চেয়ার ভাংচুর শুরু করে। এ সময় একদল তরুণ ডিবিসি নিউজের ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাদের লাঠির আঘাতে ক্যামেরা ভেঙ্গে যায় এবং কর্তব্যরত ডিবিসির ক্যামেরাপার্সন মোহাম্মদ সুমন মিয়াকে তারা লাঠি দিয়ে মারপিট করে এবং কোমর ও পায়ে ঘুষি লাথি মেরে তাকে আহত করে।
এদিকে সাম্মেলনে হামলার এ খবর পেয়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে ঘটনার প্রতিবাদে মিছিল বের করে। তবে এ ঘটনার পরে কঠোর অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে পুলিশসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এরপর বিকেলে পৌর আওয়ামীলীগের সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এমপি সহ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক ও অন্য নেতৃবৃন্দ যোগ দেন।
সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মিছিলের ভিতর লুকিয়ে থাকা জামাত-শিবিরের কর্মীরা এই ভাংচুর চালিয়েছেন বলে‘ধারণা করা হচ্ছে।
Leave a Reply