বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

বাংলাদেশের পাটের চা মন্দ নয়

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫
  • ৩০৩ বার পঠিত

 বাংলাদেশের পাটের চা মন্দ নয়

  লেখকঃ সুলতান আহমেদ সোনা

মনে আছে ছোট বেলায়,এক ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে তার শ্বশুর  বাড়িতে গিয়ে, অন্য সবার সাথে প্রথম গরম দুধ-চা পান করার সময় জিহ্ বা পুড়িয়ে ফেলেছিলাম! ওরে বাবা, তারপর যন্ত্রনায় ঠিক মত  দাওয়াত খেতে পারিনি, আজো সে কথা মনে আছে।

এখন অবশ্য সমস্যা হয় না, কারণ অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আর চা খুব বেশি গরম মনে হলে, কিছুটা ঠান্ডা হওয়ার পর পান করে থাকি।

বলাই বাহুল্য পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হচ্ছে এই ‘চা’। চা-এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্যামেলিয়া সাইনেসিস। আমরা সবাই জানি চা – হচ্ছে গাছের পাতার রস বা কস। সারা দুনিয়ায় নানা রকম চা আছে। তবে  প্রায় ২৭০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে চা- এর পরিচিত ছিল চিন দেশে ।

আমি চা সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি তা হলো, ব্রিটিশরা ১৮৩৬ সালে ভারতে এবং ১৮৬৭ সালে শ্রীলংকায় চা-সংস্কৃতি চালু করেছিলেন । প্রথমে তারা চীন থেকে বীজ এনে ব্যবহার করত। জানা যায় ১৮২৪ সালে বার্মা এবং ভারতের আসাম রাজ্যের সীমান্তবর্তী পাহাড়ে চা গাছ আবিস্কৃত হলে পরে, তারা আসাম গাছের বীজ ব্যবহার করা শুরু করেন।

আরো জানাযায় ১৮৪৩ সালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে প্রথম চা তৈরি এবং পান শুরু হয়। বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে। সিলেট অঞ্চলের সুরমা নদী উপত্যকা পূর্ব বাংলার চা উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পায়।  বর্তমানে  উত্তর বঙ্গের পঞ্চগড়েও  চা –এর আবাদ হচ্ছে।

আমি শুনেছে অনেক রকম চা আছে। তবে আমি এ পর্যন্ত  অনেকের মত কয়েক প্রকার চা পান করেছি। তার মধ্যে রয়েছে, রং চা, দুধ চা, মালটোভা চা, রেডিটি, অর্গানিক চা, গ্রীন টি, রোজেলার চা।

৭ মে/২৫ খ্রি: বুধবার পান করেছি “পাটের চা “ । এর আগে   সবার মত পাট শাক খেয়েছি। এদিন পাটের চা পান করলাম! পীরগঞ্জ উপজেলার পাট কর্মকতা চায়না বেগম এই চা খাইয়েছেন। স্বদে মন্দ নয়!

আপনাদের জানাচ্ছি,পাটের চা তৈরী হয় পাট গাছের পাতা থেকে। ২০১৬সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এই চা উৎপাদন শুরু করেছে। পাটের চা তৈরীর কায়দাটা বেশ সহজ। যে কেউ তৈরী করতে পাবেন। তোষা পাটের গাছে ফুল আসার আগে পাতা সংগ্রহ করতে হয়। সেই পাতা সূর্যের আলোতে শুকিয়ে গুঁড়া করলেই তৈরি হয় পাটের চা। এরপর পাট পাতার সেই শুকনা পাতার গুড়া, গরম পানিতে দিলে যে কস বের হবে, তার সাথে  প্রয়োজন মত চিনি বা মধু মিশিয়ে পান করবেন, ব্যাস!

আমরা তিন জন এক সাথে বসে পাটের চা পান করেছি। মন্দ নয়, ভালো লেগেছে। বন্ধুরা প্রথম পাটের চা-পান করার গল্পটা শোনালাম,এনিয়ে আপনাদের মন্তব্য আশা করছি।  চায়না  বেগমকে তার চা- এর জন্য  ধন্যবাদ জানাছি। প্রিয় বন্ধুরা আপনারাও এর স্বাদ নিতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com