বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

একটি কবিতার বই “বিধ্বস্ত সখিনা”

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ৪০২ বার পঠিত

একটি কবিতার বই “বিধ্বস্ত সখিনা”

লেখকঃ  সুলতান আহমেদ সোনা

শিল্পের একটি অংশ হচ্ছে কাব্য সাহিত্য। যারা কাব্য ও সাহিত্যের  চর্চ্চা করেন তাঁরা লেখক বা সাহিত্যিক অথবা কবি নামে পরিচিত।

বাংলাদেশে যারা এই শিল্পের চর্চ্চা করেন,তাদের বেশির ভাগেরই  লেখা লেখির সূচনা হয়েছে কবিতা দিয়ে। তাই বলা যায়,বাংলাদেশে লেখকদের মধ্যে কবির সংখ্যা বেশি। আবার প্রকাশনার দিক থেকেও কাব্যগ্রন্থ সব চেয়ে বেশি প্রকাশিত হয়ে থাকে। একুশে বই মেলা এলেই আমরা তার প্রমাণ পাই।

অনেকে বলেন, মান যাই হোক কবিতা নিয়ে ভালোই কাজ হচ্ছে । আবার নিন্দুকরা বলে বেড়ান, কবিতা হচ্ছে বটে কিন্তু  পাঠক ওই সব কবিতা তেমন একটা পড়েন না। শুধু তাই নয়, কবিরা নাকি নিজের কবিতা ছাড়া অন্যের কবিতাও পড়তে চান না।

হ্যা কাজ করলে আলোচনা,সমালোচনা থাকবেই  আর সেটা হজমও করতে হবে।  সেই সাথে কবিরা যা লিখছেন তা  বই আকারে প্রকাশ করে পাঠকের হাতে তুলে দিতে হবে।

গত ১৯ এপ্রিল/২৫খ্রি: শনিবার “বিধ্বস্ত সখিনা” নামে একটি কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। কবি  ইমদাদুল হক খান রচিত “বিধ্বস্ত সখিনা” এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়েছিল। কবি তার “বিধ্বস্ত সখিনা’র একটি কপি আমাকে উপহার দিয়ে ছিলেন।

৫২ টি কবিত নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে “বিধ্বস্ত সখিনা”। প্রকাশ কাল ফেব্রুয়ারী/২৫ খ্রি: প্রকাশক কাশেম ইয়াসবীর, প্রতিবিম্ব প্রকাশন, গাইবান্ধা থেকে প্রকাশিত হয়েছে “বিধ্বস্ত সখিনা”।যৌথভাবে প্রচ্ছদ করেছেন হাসিব বিন হাবিব ধ্রুব ও তাসফি তাহসান।

এই ফাঁকে জানাচ্ছি কবি ইমদাদুল হক খান ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে অবিভক্ত বাংলার আসামের বরপেটা জেলার সরিয়াতপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেছেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব মাও. আবুল কাসেম খান,১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর  পরিবারসহ ১৯৫০ সালের দিকে গাইবান্ধার সাঘাটা থানা এলাকার হাশিয়াল কান্দিতে এবং গোবিন্দগঞ্জের কাটাবাড়ি বোগদহ গ্রামে বসতি স্তাপন করেন।

কবি ১৯৬২ সালে ঘোড়াঘাট উপজেলার কে.সি পাইলট স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন। পরবর্তিতে উচ্চ মাধ্যমিক ও বিভাগীয় উচ্চতর বিশেষ শিক্ষা চালিয়ে যান।

তিনি কর্ম জীবনে একজন সৈনিক ছিলেন।১৯৫৫ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে ওয়ারেন্ট অফিসার র‌্যাঙ্কে অবসর গ্রহন করেন।

তিনি কিশোর বয়স থেকেই লেখা লেখি শুরু করেছেন।১৯৬৪ সালে কোলকাতা থেকে প্রকাশিত সাওগাত সাহিত্য পত্রিকায় তার কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল।

কবি এক পুত্র ৪ কন্যা সন্তানের জনক। ব্যক্তি জীবনে কবি একজন ভালো মানুষ এবং পন্ডিতজন। তার কবিতার বইটি সংগ্রহ করে সবাই পড়তে পারেন, আশা করি ভালো লাগবে। বজ্রকথা সাহিত্য বিভাগের জন্য কবির প্রতি শুভ কামনা  রইল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com