বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত

পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

 পীরগঞ্জ (রংপুর) জ্রকথা প্রতিনিধি।- রংপুরের পীরগঞ্জে প্রয়োজনীয় বৃষ্টির অভাবে আমন ধানের ক্ষেতের মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। টানা দাবদাহ ও দীর্ঘদিনের অনাবৃষ্টির কারণে উপজেলার বহু এলাকার ধানগাছ শুকিয়ে লালচে হওয়ার উপক্রম হয়েছে। উপযুক্ত সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে চলতি মৌসুমে আমনের কাঙ্খিত ফলন পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা ও শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এবার ব্যাপক হারে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু জমিতে চারা রোপণের পর থেকেই কাঙ্খিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে ক্ষেতের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বাধ্য হয়ে বিকল্প পন্থা হিসেবে সেচ পাম্প ও শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দিতে বাধ্য হচ্ছে কৃষক!
  এতে আমন চাষে কৃষক তাঁদের বাড়তি সেচ খরচ গুনতে হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যয় অনেকগুণ বাড়িয়ে দিবে
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, পানির অভাবে অনেক আমন ক্ষেতের মাটি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে।
রোদের তীব্রতায় পানির অভাবে ধানগাছের পাতা নুয়ে পড়েছে ও বিবর্ণ রূপ ধারণ করেছে। ক্ষেতে পানি ধরে রাখতে না পারায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে সেচ দিচ্ছেন, তবে যেসব প্রান্তিক কৃষকের বাড়তি টাকা খরচ করে সেচ দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাঁদের ধানক্ষেত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, আমনের চারা বাড়ন্ত হওয়ার এই সময়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি ও আর্দ্রতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু টানা খরা ও রোদে জমির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। সেচ দিয়েও ক্ষেতের আর্দ্রতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে অনাবৃষ্টি বজায় থাকলে ধানের ফলন ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন আহমেদ বলেন, ‘‘বর্তমানে আমন ক্ষেতের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বৃষ্টির পানি খুবই প্রয়োজন। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত যেসব জমিতে ফাটল ধরছে, সেখানে কৃষকদের হালকা সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষি বিভাগের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত ক্ষেত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।’’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com