আলোকিত পথের রকিবুল ইসলাম আজও ভুলিনি সে পথ যে পথে পেয়েছি তোমায়। মনের গলির সেই পথের বাঁকেই হারিয়ে ফেলেছি আবার। সেই থেকেই দিবা নিশি খুঁজে চলেছি তোমায় নিরন্তর। মনে পড়ে?অতি
ঈদ আনন্দ ভ্রমণ (গল্প) আব্দুস সাত্তার সুমন ঈদুল আজহা সামনে। পুরো পরিবারে আনন্দের আমেজ। কয়েকদিন আগে বড় ছেলে সাঈদকে সঙ্গে নিয়ে সুমন পশুর হাটে গেল কোরবানির পশু কিনতে। অনেক খোঁজাখুঁজির
মিথ্যে মায়া হালিমা সুলতানা মিথ্যে মায়ায় জাড়ানো ফুল রাতে ফুটে রাতেই ঝরে। মিথ্যে আশায় ছড়ানো প্রেম মুখ থুবড়ে তাই সদাই পরে। সম্পর্কের এক ব্যবধানটা হাজার বাঁধায় সামনে আসে। উঁচু নিচু
সবুজ চা শাকেরা বেগম শিমু ওজনটা বেড়ে গেছে হবে এটা কমাতে, সবুজ চা বাধা দেবে মেদভুড়ি জমাতে। ভালো হয় সাথে দিলে আদা, দারুচিনিও, চা’র সাথে তাই এই মসলাও কিনিও। রোজ
রৌদ্রের শক্তি শহীদুল্লা হক ভূইয়া ভোরের আভায় ভেদ করে আজ উঠল বোশেখ রোদ, খুশির আমেজ কমনা কিছু উদয় হলো বোধ ! রোদ’ত নয় আর সূর্যের মূকুট সৃষ্টি সুখের মূল, বাংলা
গ্রীষ্মের দাবদাহে” কবি- ফারুক আহম্মেদ জীবন এইতো কয়েকদিন আগেও এখানে ছিল মাঠ ভরা সবুজ, সোনালী ধান, চলার পথে পথিক নাসিকাতে পেতো দক্ষিণা সে ঝিরঝিরে মৃদু বায়ুতে ধানের মিষ্টি ম-ম ঘ্রাণ।
কাফনের কাপড় রুশো আরভি নয়ন তুমি যদি কাফনের কাপড় হতে, আমি স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতাম। তোমার সাদা শরীরে জড়িয়ে যেত আমার ধুলোভরা দেহ, রক্তের কালি মেখে লিখতাম শেষ কবিতা— কেউ
মা জননী মোঃ সৈয়দুল ইসলাম আমরা যখন শিশু ছিলাম করতো মায়ে যতন, মায়ের কাছে ছিলাম সদা হিরা মানিক রতন। আদর স্নেহ ভরা হাতে ভাত দিতো মা মুখে, মাথার ওপর হাত
জাতির বোঝা মোঃ সৈয়দুল ইসলাম খুকি ছুটে বিদ্যাবাড়ি হাতে নিয়ে বই, আমি খোকা প্রতিবন্ধী চেয়ে চেয়ে রই। মায়ের হাতটি ধরে খুকি যাওয়া আসা করে, আমি বোবা জন্ম খোঁড়া পড়ে থাকি
রক্তে লেখা মুক্তির ভোর আসাদুজ্জামান খান মুকুল ২৬শে মার্চ আমাদের বুকের ভেতর এক চিনচিনে ব্যথা আর অসীম গর্বের নাম, শিমুল ফুলের লালে আমি আজও খুঁজে পাই আমার সেই হারানো ভাইয়ের