মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত পীরগঞ্জে ভিডব্লিউবি কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ বিষয়টি দেখা দরকার

কটিয়াদীতে ডিম বিক্রি করে জীবন যুদ্ধে নেমেছে দুই নারী

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০
  • ৮৮৪ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জ থেকে সুবল চন্দ্র দাস।- কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার শামসুন্নাহার (৫৫) ও জামেলা খাতুন (৪০) দুই সংগ্রামী নারী। দু’জনেরই স্বামীর কোন কর্মক্ষমতা নেই। সামান্য ভিটে বাড়ি ছাড়া কোন জমি নেই। পরিবারের লোকজনের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দিতে মানুষের করুণার পাত্র না হয়ে বুকে সাহস নিয়ে নেমে পড়েন ব্যবসায়। কটিয়াদী উপজেলার মানিকখালী বাজারের আড়ৎ থেকে বাকিতে ডিম নিয়ে ট্রেনে প্রতিদিন চলে যান ভৈরবসহ বিভিন্ন বাজারে। সেখানে ডিম বিক্রি করে মহাজনের টাকা বুঝিয়ে দিয়ে লাভের টাকায় চাউল, ডাল নিয়ে বাড়ি ফিরেন। এভাবেই কোন রকমে চলছিল তাদের জীবন। কিন্তু এখন মহামারি করোনার প্রভাবে ট্রেন, বাস চলাচল ও হাট বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় থেমে গেছে তাদের ব্যবসা। স্বামী ও সন্তানদের মুখে খাবার যোগানো নিয়ে তারা এখন চিন্তিত। সরকারি ভাবে কর্মহীন অতিদরিদ্র লোকজনকে সাহায্য প্রদান শুরু হলেও তারা কিছুই পায়নি। শামসুন্নাহার জানান, তার বাড়ি উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের দেবলেরকান্দা গ্রামে। স্বামী বাদল মিয়া দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ অসুস্থ। তিনি ৩ ছেলে ও ১ মেয়ের জননী। বড় ২ ছেলে বিয়ে করে পৃথক সংসার করছেন, মেয়েকেও বিয়ে দিয়েছেন। ছোট ছেলেটি প্রতিবন্ধী। অসুস্থ স্বামী ও প্রতিবন্ধী ছেলের চিকিৎসা ও সংসার চালাতে শামসুন্নাহার ২৫ বছর ধরে ডিম বিক্রি করেন। অপর ডিম বিক্রেতা জামেনা খাতুন জানান, তার বাড়িও একই ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামে। তার স্বামী মো. সাহাব উদ্দিন একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তিনি ২ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের জননী। ২০ বছর ধরে তিনিও ডিম বিক্রি করেন। যানবাহন ও হাট বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা এখন কোথাও যেতে পারছেন না। শত কষ্টের মাঝেও তারা কারোর কাছে হাত পাতেননি। শ্রম দিয়ে মাথার ঘামে শরীর ভিজিয়ে ব্যবসা করে সংসার চালাচ্ছেন এ দু’নারী। এখন কোথায় পাবেন তারা খাবারের টাকা ? এ নিয়ে এখন ভীষণ চিন্তিত সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা গেলে তারা তাদের স্বামী সন্তানদের মুখে হাসি ফুটাতে পারবে এটাই প্রত্যাশা। ছবি-০২৭

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com