মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত পীরগঞ্জে ভিডব্লিউবি কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ বিষয়টি দেখা দরকার

নবাবগঞ্জ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে যাচ্ছে হেয়ার প্রসেসিং ব্যবসায়ীরা

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৮৯৩ বার পঠিত

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে সৈয়দ হারুনুর রশীদ।- দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে যাচ্ছে হেয়ার প্রসেসিং ব্যবসায়ীরা। তারা সাংবাদিকদের নিকট জানান গালি গালাজ ভয়ভীতি মালামাল আটক রেখে জোর পূর্বক চাঁদা আদায়ের কারনে তারা এই এলাকায় আর ব্যবসা করবেন কি না তা নিয়ে আতংক হয়ে পড়েছেন। আর তারা যদি তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়ে চলে যায় তাহলে দিনাজপুর ৬ আসনরে ৪ থানা এলাকায় প্রায় ৫ হাজার অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধী মহিলা কর্মহীন হয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে। হেয়ার প্রসেসিং ব্যবসায়ী আঃ রাজ্জাক,দেলোয়ার হোসেন ও জাকির হোসেন জানান তারা নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়ায় চুয়াডাঙ্গা থেকে এসে ১৮/২০ জন হেয়ার প্রসেসিং ব্যবসায়ী বসবাস করে। তাদের ব্যবসা নবাবগঞ্জ উপজেলা এলাকা সহ পার্শ্ববর্তী ৪টি উপজেলা এলাকায় নিয়মানুযায়ী সরকারকে কর দিয়েই তাদের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এমতাবস্থায় ভাদুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসমান জামিল তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স করা সহ মাসিক মাসোয়ারার দাবী করেন। তারা চেয়ারম্যানের ওই দাবী না মানায় চেয়ারম্যান গত ২৬ জুন তাদের প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের চুল গ্রাম পুলিশ দিয়ে জোর পূর্বক জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রেখে তাদের উপর ট্রেড লাইসেন্স করার চাপ প্রয়োগ করেন । এত টাকার মাল আটক রাখায় ব্যবসায়ীরা পড়ে যায় বিপাকে । তাদের ব্যবসার মাল ছাড় করতে তারা গত ৩ জুলাই রাতে পরিষদে চেয়ারম্যানের সাথে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে তারা চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করে ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার সিদ্ধান্তে উপনিত হন। গত ৪ জুলাই একই দিনে তাদের ১৫/১৬ জনের নামে ২০২০-২১ অর্থ বছরের জন্য ট্রেড লাইসেন্স লেখা হয়। ভ্যাট সহ ট্রেড লাইসেন্স ফি ২৩০ টাকা লেখা হলেও চেয়ারম্যান তাদের নিকট থেকে নি¤েœ ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। এরপর তিনি প্রতি ব্যবসায়ীর উপর চাঁদা বাবদ ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে গত ৭ জুলাই তাদের মালামাল পরিষদ থেকে চেয়ারম্যান নিজেই বুঝে দেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান। যার ধারন করা ভিডিও চিত্র সাংবাদিকদের নিকট দিয়েছেন ওই ব্যবসায়ীরা। তাদের ভাষায় তাদের আটক এত টাকার মালামাল ছাড়তে চেয়ারম্যান যা বলেছে তাই মেনে নিয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এ কে এম আসাদুজ্জামানের নিকট মোবাইল ফোনে চেয়ারম্যানের অবস্থানের কথা জানতে চাইলে তিনি জানান চেয়ারম্যান এলাকার বাইরে আছেন। চেয়ারম্যান আসমান জামিলকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি তা গ্রহন করেন নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com