বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

শেরপুর টাউনক্লাব পাবলিক লাইব্রেরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দ্বায়িত্বে অবহেলায় অভিযোগ

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১
  • ২৬৮ বার পঠিত

উত্তম সরকার, বগুড়া প্রতিনিধি।- শেরপুর টাউনক্লাব পাবলিক লাইব্রেরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ-কর্মচারীদের দ্বায়িত্বে চরম অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীদের বেতন, ফি’র জমার টাকা সময়মত খাতায় লিপিবদ্ধ না করায় ও ম্যানুয়াল ভর্তিকৃত এইচএসসি’র ৩০জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭ জনের রেজিষ্ট্রেশন এখনো হয়নি। যে কারণে ৭জন শিক্ষার্থী তাদের ফরমপূরণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার স্বনামধন্য মহিলা কলেজের বিভিন্ন সময় ভালো রেজাল্ট ও বর্তমান সভাপতি আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনুর একান্ত চেষ্টায় কলেজটিতে এইচএসসি, ডিগ্রী পাস কোর্স এর পাশাপাশি অনার্স শাখাও চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীর সংখ্যাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে কলেজের সভাপতি রাজনৈতিক কারণে আগের তুলনায় এখন বেশি ব্যস্ততায় থাকেন। এই সুযোগে কলেজের অধ্যক্ষ এ, কে, এম, নুরুল ইসলাম নিজের ইচ্ছে মত যাতায়াত করেন। কর্মচারীগণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন ও অন্যান্য ফি’র টাকা আদায় করে ঠিকমত খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয় না। ২৮ আগস্ট শনিবার কলেজে গিয়ে জানা যায়, ৭ জন শিক্ষার্থীর কোন রেজিষ্ট্রেশন কার্ড এখনো হাতে পায়নি। তাদের ভর্তির ফি নেয়ার পর তাদের আর কোন খোজ নেননি অধ্যক্ষ। অধ্যক্ষের এমন দ্বায়িত্বে অবহেলার কারণে তারা আজ অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। অপরদিকে বর্তমানে এইচএসসি শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ চলছে সেই সুবাদে কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থী প্রতি ৩ হাজার ১ শত থেকে শুরু করে ৬ হাজার টাকা আদায় করছেন। এর মধ্যে অনেকেই মাসিক বেতন ও অন্যান্য ফি’র টাকা জমা দিয়ে ছিলেন কিন্তু কলেজের কর্মচারীদের দ্বায়িত্বে অবহেলার কারণে সেই সকল শিক্ষার্থীদের খাতায় জমার কোন টাকা উঠানো হয়নি। জমার রশিদ দেখানোর পরে তাদের আবার ফি কমিয়ে দেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ এ, কে, এম, নুরুল ইসলাম বলেন, এই কাজতো আমি করি না অফিসের অন্যজন করে। তারা ভুল করে খাতায় তুলেনি এটা ঠিক করেনি। যে শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন হয়নি তাদের বিষয়ে বলেন বোর্ডে কথা হয়েছে অচিরেই সমস্যার সমাধান করা হবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com