বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

পলাশবাড়ীতে কচুর বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২
  • ৩১৮ বার পঠিত
রুবেল ইসলাম।- গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলাতে চলতি রবি মৌসুমে রোপনকৃত ‘পুরি কচুর’ বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষীরা। ফলন ভাল হওয়ায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কচুতে এবার ভাল টাকা লাভ করা যাবে বলে মনে করেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলের মাঠে চাষ হচ্ছে নানান ধরনের রবি শস্য। এর মধ্যে এবার সব চেয়ে বেশি চাষ হয়েছে বৈ-কচু। যা আঞ্চলিক ভাবে (পুরিকচু) নামে পরিচিত।
আমাদের প্রতিদিনের আহারের সাথে তরিতরকারির (সবজি) মধ্যে কচু অন্যতম। ৩ মাসের ফসল কচু এখন প্রায় উঠতির দিকে। সম্ভাব্য আর মাস খানেকের মধ্যেই ঘরে উঠবে কচু। উঠতি এই ফসলের বাম্পার ফলনে কৃষক-কৃষানিরা মুগ্ধ। উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের জালাগাড়ী দূর্গাপুর গ্রামের প্রায় প্রতিটি চাষী পরিবারেই কচু উৎপাদন লক্ষণীয়।কৃষক আমীর আলি বলেন, করোনায় গত বছর গুলোতে কচুর তেমন দাম পাওয়া যায় নাই। এছাড়া বন্যার কারণে কচুর ফলনও তেমন হয়নি বিগত বছর গুলোতে। কচু বিক্রি করে যা আয় হতো তাতে আমাদের উঃপাদন খরচ টাই উঠত না। ছেলেমেয়ে নিয়ে জীবন চালনো খুব কষ্ট হয়ে পড়েছিল। এবারের ফলনে আমরা খুবই খুশি। আশা করছি সঠিক দাম পেলে আগের বছর গুলোর ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেয়া যাবে।  একই উপজেলার বদলাগাড়ি গ্রামের কৃষক হোসেন মিয়া বলেন, অন্যান্য ফসল চাষের চেয়ে কচু চাষ করা অনেক সহজ। বৃষ্টি বা খড়ায় এ ফসলের তেমন ক্ষতি হয় না। ফলে আমার গ্রামের অনেকেই এখন কচু চাষ শুরু করছি। এবার আবাদ ভাল হছে। বাজার ভাল থাকলে কচু বেচি কয়টা টেকা পাওয়া যাবে। পলাশবাড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেমা কাওছার আমাদের বলেন, রবি শষ্যের মধ্যে অন্যান্য ফসলের তুলনায় পোকা মাকড়, রোগ-বালাই ও কিটনাশকের ব্যবহার কম হওয়ায় কৃষক এখন কচু চাষের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ছেন। এই উপজেলার অনেক গ্রামেই বর্তমানে বৈ-কচুঁ উৎপাদন করছেন কৃষকরা। উপজেলা ২০০ হেক্টর জমিতে কচুর চাষ হয়েছে। এখনো জমিতে কচু থাকায় পরিপূর্ণ হিসাব করা সম্ভব হয় নাই। তবে আমরা মাঠ পর্যবেক্ষণ করে অনুমান করছি হেক্টর প্রতি জমিতে কৃষকের প্রায় ২৪ টন কচু উৎপাদিত হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com