বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ক্রয়কৃত জমি দখল, স্থাপনা ধ্বংস করে চাষাবাদ। তিন প্রতিবন্ধির জীবন বিপন্ন, পরিবারকে জীবননাশের হুমকী  পীরগঞ্জে বৃষ্টির অভাবে আমন ক্ষেতে ফাটল; ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন 

মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ে  ভাসানী’র ৪৪তম মৃত্যু মৃত্যুবার্ষিকী পালন

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৬৩ বার পঠিত
মোঃ আসাদুজ্জামান  রিপন পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি।- কিংবদন্তি রাজনৈতিক নেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। প্রতি বছরের ন্যায় আজও মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয় মাওলানা ভাসানী’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা  সভার আয়োজন করেন।এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠন সারাদেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহীপুর মাওলানা ভাসানী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ মাজেদুর রহমান প্রধান ও মোঃ খায়রুল ইসলাম, মহীপুর হাজী মহসিন সরকারী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোঃ আব্দুল হাফিজ এবং এলাকার অনেক গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ। সভাপতিত্ব করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জনাব আশরাফ উদ্দিন আহম্মেদ।  বক্তাগণ মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর  রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরেন।  স্বাধীন বাংলাদেশের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যিনি মাওলানা ভাসানী নামে পরিচিত ছিলেন। বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে “মজলুম জননেতা” হিসাবে সমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়ও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময়ই তিনি মাওপন্থী কম্যুনিস্ট, তথা বামধারার রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তাঁর অনুসারীদের অনেকে এজন্য তাঁকে “লাল মওলানা” নামেও ডাকতেন। তিনি কৃষকদের জন্য পূর্ব পাকিস্তান কৃষক পার্টি করা জন্য সারাদেশ ব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের ‘আসসালামুআলাইকুম ‘ বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।
১৯৭৬ খৃস্টাব্দের ১৭ই নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই দেশ বরেণ্য নেতা মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে টাংগাইল জেলার সদর উপজেলার উত্তর-পশ্চিমে সন্তোষ নামক স্থানে পীর শাহজামান দীঘির পাশে সমাধিস্থ করা হয়। সারা দেশ থেকে আগত হাজার হাজার মানুষ তাঁর জানাযায় অংশগ্রহণ করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com