মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ

কটিয়াদীতে বোরো ধান সংগ্রহ নিয়ে শঙ্কা

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩০ মে, ২০২১
  • ৩২০ বার পঠিত

কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ) থেকে সুবল চন্দ্র দাস।- গত বছর আমন সংগ্রহ অভিযানে ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে খাদ্য বিভাগ চলতি বোরো মৌসুমে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় আবারো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু করে। কিন্তু এবারো কৃষকের বোরো ধান সরবরাহে অনীহা প্রকাশ করায় সফলতা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। খাদ্য গুদাম অফিস সূত্র জানায়, এই উপজেলায় চলতি বোরো সংগ্রহে ধান ১৭৯৬ মে. টন ও এক হাজার ১৩ মে. টন চাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে খাদ্য বিভাগ। ধান সংগ্রহে দুর্নীতি এড়াতে ‘কৃষকের মোবাইল অ্যাপ’ মাধ্যমে গত ২৬ এপ্রিল থেকে ধান সংগ্রহের প্রাথমিক আবেদন সময় নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ধান সংগ্রহের আবেদন শেষ সময় ছিল ১০ মে পর্যন্ত। এরই মধ্যে ‘কৃষকের অ্যাপ’ এর মাধ্যমে ১২০ জন কৃষক আবেদন সম্পন্ন করেন। ফলে পর্যাপ্ত আবেদন না পরায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সফলতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর আগে শুক্রবার কটিয়াদী খাদ্য গুদামে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নূর মোহাম্মদ এমপি। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। কৃষকরা বলছেন, আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হওয়ার বিষয়ে কটিয়াদী খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও হয়রানির কারণে গুদামে ধান দিতে অনাগ্রহের কারণ হিসেবে দেখছেন কৃষকরা। তবে খাদ্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, আমন মৌসুমে সরকার ধানের দাম নির্ধারণ করে দেয় প্রতি মণ ১০৪০ টাকা। সেই অনুযায়ী এক মণ ধানে ২৬ কেজি চাল হিসাবে প্রতি কেজি চালের দাম পড়ে ৩৬ টাকা। তবে বাজারে চালের সর্বনি¤œ দাম ছিল ৪২ টাকা। ফলে চুক্তি করেও মিলাররা চাল দেয়নি। আবার স্থানীয় বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের তুলনায় ধান ও চালের দাম বেশি থাকায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। কটিয়াদী খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মীর ফারুক আহম্মেদ বলেন, ‘বাজারে ধান এবং চালের দাম বেশি হওয়ায় আমন মৌসুমে নির্ধারিত দামে ধান-চাল সংগ্রহ করা যায়নি। চলতি বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।’ কটিয়াদী ইউএনও জ্যোতিশ্বর পাল বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পরিপত্র অনুযায়ী কৃষক অ্যাপসের মাধ্যমে লটারি করে ধান ক্রয় করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com