বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

থাই পিয়ারা চাষে স্বাবলম্বী মমিনুল হক

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০
  • ৯৪৪ বার পঠিত

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।- থাই পিয়ারা চাষে স্বাবলম্বী দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বরাতীপুর গ্রামের মমিনুল হক। নিজের জমি না থাকলেও ৭ বছরের জন্য লিজ নিয়েছে ২০ বিঘা জমি। প্রতি বছর ২০ বিঘা জমির লিজের টাকা দিতে হয় ২ লক্ষ টাকা।
২০১৮ সালে পেয়ারা চাষী মমিনুল হক নাটোর জেলা থেকে থাই পিয়ারার চারা সংগ্রহ করেন। একই সালে চারা ক্রয় রোপণ পরিচর্যা সহ আনুসাঙ্গিক ব্যয় হয় ৭ লক্ষ টাকা।
মমিনুল জানান, প্রথম বছরই সে ফলন ভালো পায় এবং ভালো দামেও বিক্রি করতে পারে। প্রথমবারে পেয়ারা বিক্রি হয় তার ১৭ লক্ষ টাকা। এতে খরচ ১০ লক্ষ বাদে তার আয় হয় ৭ লক্ষ টাকা। সে আরো জানায় প্রতি বছর তার ব্যয় খুব কম। শুধুমাত্র শ্রমিক, পরিচর্যা, ঔষধ বাবদ তার ব্যয় হবে ৩ লক্ষ টাকা। তার ধারনা চলতি মৌসুমে সে ২০ লক্ষ টাকা পেয়ারা বিক্রি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। এছাড়া তার বাগানে কোন গাছ নষ্ট হলে তার বাগান থেকেই কলম কেটে পতিত জায়গা গুলিতে পেয়ারা গাছ লাগাতে সক্ষম হচ্ছে। মমিনুল হকের লক্ষ্য ভালো ফলন ও মানুষকে ফর্মালিন কীটনাশকমুক্ত ফল উপহার দেওয়া। যার জন্য সে ফল একটু বড় হলেই প্রতিটি ফলেই পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করছে। যাতে কোন ক্ষতিকারক কীট-পতঙ্গ বা মেডিসিন ব্যবহারের সময় ফলের গায়ে না পড়ে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মমিনুল হকের পেয়ারা গাছে কিছু গাছে ফুল আসছে, কিছু গাছে গুটি হচ্ছে, কিছু গাছে মাঝারি আকারের পেয়ারা, আবার কিছু গাছ থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। মমিনুল জানায়, তার এই বাগান থেকে সারাবছর পেয়ারা বিক্রি চলবে।
২০১৮ সালে পেয়ারা বাগান করলেও সে প্রথম ২০১৯ সালে পেয়ারা বিক্রি করে সব খরচ বাদে ৮ লক্ষ টাকা লাভবান হয়েছে। তার আশা এবার সে নিজেকে একজন মডেল পেয়ারা চাষী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
ঘোড়াঘাটে পেয়ারা চাষ নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এখলাছ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঘোড়াঘাটের মাটি পেয়ারা চাষের উপযোগী। এ উপজেলায় বানিজ্যিক ভাবে এতো বড় বাগানের ঝুঁকি কেউ নেয়নি। ইদানিং কিছু কিছু লোক পেয়ারা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। উপজেলায় বর্তমানে ২০ জন পেয়ারা চাষী ১০ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ করছে। চলতি মৌসুমে এ বাগান গুলো থেকে ২০০ টন পেয়ারা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান বাজারে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে এ পেয়ারা বিক্রি হলেও শীত মৌসুমে ভালো দাম পাওয়া যায়। এ উপজেলায় থাই-সেভেন ও থাই-ফাইভ জাতের পেয়ারা চাষ হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com