বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৭২ বার পঠিত
রক্তে লেখা মুক্তির ভোর
​আসাদুজ্জামান খান মুকুল
২৬শে মার্চ আমাদের বুকের ভেতর এক চিনচিনে ব্যথা আর অসীম গর্বের নাম,
শিমুল ফুলের লালে আমি আজও খুঁজে পাই আমার সেই হারানো ভাইয়ের মুখ।
ভয়ংকর সেই রাতে হঠাৎ বাঙালিদের উপর হানা দিয়েছিল ঘাতকের দল।
ঘুমন্ত মানুষের আর্তনাদে সেদিন ফেটে পড়েছিল বাংলার শান্ত আকাশ।
বাড়ির পুরনো দেয়ালে আজও সেই বুলেটের গভীর ক্ষত রয়ে গেছে।
অত্যাচারীরা চেয়েছিল আমাদের এই চেনা মুখগুলো চিরতরে বন্ধ করে দিতে।
তখনি গ্রাম থেকে শহর, সব সাধারণ মানুষ এক হয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
মাঠের কৃষক আর ঘরের ছাত্রটি অবলীলায় হাতে তুলে নিয়েছিল অস্ত্র।
এক মুঠো মুক্তির জন্য সেদিন তারা তুচ্ছ করেছিল নিজের তরুণ প্রাণ।
আমার মা তার আদরের মানিককে চোখে লুকানো অশ্রু নিয়ে হাসিমুখে বিদায় দিয়েছিলেন।
বাবার সেই শেষ বিদায় আর ভাইয়ের রক্তে কেনা আমাদের এই স্বাধীনতা।
একটি তর্জনীর ইশারায় সেদিন এক হয়ে গিয়েছিল কোটি মানুষের বুক।
নয়টি মাস আমরা শুধু মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে দিন কাটাইনি।
আমরা লড়েছিলাম নিজের মাতৃভূমি আর একটা পতাকার জন্য।
আজকের এই রোদেলা সকাল আমার বাবা আর ভাইয়ের জীবনের দান।
বিনম্র শ্রদ্ধায় মাথা নিচু করি আমার সেই অকুতোভয় শহীদদের কাছে।

রক্তে লেখা মুক্তির ভোর
​আসাদুজ্জামান খান মুকুল
২৬শে মার্চ আমাদের বুকের ভেতর এক চিনচিনে ব্যথা আর অসীম গর্বের নাম,
শিমুল ফুলের লালে আমি আজও খুঁজে পাই আমার সেই হারানো ভাইয়ের মুখ।
ভয়ংকর সেই রাতে হঠাৎ বাঙালিদের উপর হানা দিয়েছিল ঘাতকের দল।
ঘুমন্ত মানুষের আর্তনাদে সেদিন ফেটে পড়েছিল বাংলার শান্ত আকাশ।
বাড়ির পুরনো দেয়ালে আজও সেই বুলেটের গভীর ক্ষত রয়ে গেছে।
অত্যাচারীরা চেয়েছিল আমাদের এই চেনা মুখগুলো চিরতরে বন্ধ করে দিতে।
তখনি গ্রাম থেকে শহর, সব সাধারণ মানুষ এক হয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
মাঠের কৃষক আর ঘরের ছাত্রটি অবলীলায় হাতে তুলে নিয়েছিল অস্ত্র।
এক মুঠো মুক্তির জন্য সেদিন তারা তুচ্ছ করেছিল নিজের তরুণ প্রাণ।
আমার মা তার আদরের মানিককে চোখে লুকানো অশ্রু নিয়ে হাসিমুখে বিদায় দিয়েছিলেন।
বাবার সেই শেষ বিদায় আর ভাইয়ের রক্তে কেনা আমাদের এই স্বাধীনতা।
একটি তর্জনীর ইশারায় সেদিন এক হয়ে গিয়েছিল কোটি মানুষের বুক।
নয়টি মাস আমরা শুধু মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে দিন কাটাইনি।
আমরা লড়েছিলাম নিজের মাতৃভূমি আর একটা পতাকার জন্য।
আজকের এই রোদেলা সকাল আমার বাবা আর ভাইয়ের জীবনের দান।
বিনম্র শ্রদ্ধায় মাথা নিচু করি আমার সেই অকুতোভয় শহীদদের কাছে।

রক্তে লেখা মুক্তির ভোর
​আসাদুজ্জামান খান মুকুল
২৬শে মার্চ আমাদের বুকের ভেতর এক চিনচিনে ব্যথা আর অসীম গর্বের নাম,
শিমুল ফুলের লালে আমি আজও খুঁজে পাই আমার সেই হারানো ভাইয়ের মুখ।
ভয়ংকর সেই রাতে হঠাৎ বাঙালিদের উপর হানা দিয়েছিল ঘাতকের দল।
ঘুমন্ত মানুষের আর্তনাদে সেদিন ফেটে পড়েছিল বাংলার শান্ত আকাশ।
বাড়ির পুরনো দেয়ালে আজও সেই বুলেটের গভীর ক্ষত রয়ে গেছে।
অত্যাচারীরা চেয়েছিল আমাদের এই চেনা মুখগুলো চিরতরে বন্ধ করে দিতে।
তখনি গ্রাম থেকে শহর, সব সাধারণ মানুষ এক হয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
মাঠের কৃষক আর ঘরের ছাত্রটি অবলীলায় হাতে তুলে নিয়েছিল অস্ত্র।
এক মুঠো মুক্তির জন্য সেদিন তারা তুচ্ছ করেছিল নিজের তরুণ প্রাণ।
আমার মা তার আদরের মানিককে চোখে লুকানো অশ্রু নিয়ে হাসিমুখে বিদায় দিয়েছিলেন।
বাবার সেই শেষ বিদায় আর ভাইয়ের রক্তে কেনা আমাদের এই স্বাধীনতা।
একটি তর্জনীর ইশারায় সেদিন এক হয়ে গিয়েছিল কোটি মানুষের বুক।
নয়টি মাস আমরা শুধু মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে দিন কাটাইনি।
আমরা লড়েছিলাম নিজের মাতৃভূমি আর একটা পতাকার জন্য।
আজকের এই রোদেলা সকাল আমার বাবা আর ভাইয়ের জীবনের দান।
বিনম্র শ্রদ্ধায় মাথা নিচু করি আমার সেই অকুতোভয় শহীদদের কাছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com