বজ্রকথা প্রতিনিধি।– রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সদরের প্রজাপাড়ায় ২৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে অষ্ট প্রহর লীলা কীর্তণ। পীরগঞ্জ হরিবাসরের ৫৫তম বার্ষিক অনুষ্ঠান হিসেবে প্রতি বছরের মত এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল।- জেলার পলাশবাড়ীতে পতিত জমি ও অনাবাদি জমিতে বস্তায় আদা চাষসহ সবজি চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পলাশবাড়ী পৌরসভাসহ বিভিন্ন ব্লকের ঘরে ঘরে অনাবাদি ও বসতবাড়ীর
এল এইচ আকাশ ।- স্মার্ট যুব,সমৃদ্ধ দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজস্বখাত কর্মসূচীর আওতায় ০৭ দিনব্যাপী “গাভী পালন” প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠিত
নবাবগঞ্জ(দিনাজপুর)থেকে সৈয়দ হারুনুর রশীদ।- দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অভ্যন্তরীণ আমন ধান সংগ্রহ ২০২৩-২৪ এর ইউনিয়ন ভিত্তিক কৃষক নির্বাচন উপলক্ষে উন্মুক্ত লটারী অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির আয়োজনে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী
জ্রকথা প্রতিনিধি।- ঠাকুরগাঁওয়ে কার্প জাতীয় মাছ মোটা তাজাকরণ বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ঠাকুরগাঁও সদরের কচুবাড়ী আউলিয়াপুর এলাকায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ( ইএসডিও) এর সমন্বিত
বজ্রকথা প্রতিনিধি।– ১৮ নভেম্বর/২৩খ্রি: শনিবার পীরগঞ্জে আলুর বাজার স্বাভাবিক রাখতে ২৭ টাকা কেজি দরে ৯ হাজার কেজি আলু ব্যাপারীদের নিকট বিক্রী করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় পৌর বাজারে বিক্রির
বজ্রকথা প্রতিনিধি।–এবার খাবার আলুর দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে বীজ আলুর দামও বেড়ে গেছে। বীজ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো মৌসুমে সস্তায় আলু কিনে হিমাগারে সংরক্ষণ করে রেখেছিল, এখন সেই আলু, বীজ হিসেবে চড়াদামে
সুলতান আহমেদ সোনা।– আমরা বলে থাকি “নিত্য খেলে আদা রোগ পালায় দাদা” কথা পরিস্কার, যদি কেউ নিয়মিত আদা খান তাহলে তার শরীরে কোন রোগ বালাই বাসা বাঁধতে পারবে না। এ
বজ্রকথা প্রতিনিধি।–রংপুরের পীরগঞ্জের হাটে বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীগণ হিমাগার থেকে ২৭ টাকায় আলু কেনার সুযোগ না পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন সরে জমিন উপস্থিত থেকে
সুলতান আহমেদ সোনা।–রংপুরের পীরগঞ্জে আলু নিয়ে কারসাজি চলছে।হিমাগারগুলোতে পর্যাপ্ত আলু থাকলেও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা সরকারের বেধে দেওয়া মুল্যে আলু কেনার সুযোগ পাচ্ছে না। আলুর মজুদদারগণ খুচরা পর্যায়ের ক্রেতাদের পাত্তা দিচ্ছেন